২০ জুন ২০২৪

ঈদবাজারে গিয়ে ‍দুর্বৃ্ত্তের ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

কক্সবাজার প্রতিনিধি »

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ঈদের কেনাকাটা করতে গিয়ে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন এক শিক্ষার্থী। এসময় গুরুতর আহত হয়েছেন তার এক সহপাঠী।

শনিবার (২৫মে) রাত ১১টার দিকে চকরিয়া পৌর শহরের ওয়েস্টার্নপ্লাজা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত আনাস ইব্রাহিম (১৭) চকরিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিনামারা এলাকার মৌলভী নেচার আহামদের ছেলে। আনাস চকরিয়া কেন্দ্রিয় উচ্চ বিদ্যালয় হতে ২০১৯ সালে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৪.৩০ পেশে পাশ করে কলেজে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ ঘটনায় আবদুল্লাহ নামে তার আরেক সহপাঠী আহত হয়েছে। তার বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার রাতে চকরিয়া পৌর সদরে ঈদের কেনাকাটা করতে আসে আনাস ও তার বন্ধুরা । কেনাকাটা করে রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফিরতে সুপার মার্কেট এলাকার ওয়েস্টার্ন প্লাজার সামনে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন তারা। এ সময় হঠাৎ ৫-৬ জন দূর্বৃত্ত অতির্কিতে এসে আনাসকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ছুরিকাঘাতে আনাসের নাড়িভূড়ি বের হয়ে যায়।

গুরুতর আহতাস্থায় স্থানীয় লোকজন আনাসকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করেন। চট্টগ্রামে নেয়ার পথে চুনতি পৌঁছার পর তার অবস্থার অবনতি হলে লোহাগড়া মা ও শিশু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন নিহত আনাসের সঙ্গে থাকা তার বন্ধু ইয়াছির আরাফাত মুন্না।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পৌরশহরের পালাকাটা এলাকার কয়েক বখাটের সাথে আনাসের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বখাটেরা সাথে থাকা ছুরি দিয়ে আনাসের পেটে আঘাত করে। এ সময় আনাস মাটিতে লুটিয়ে পড়লে বখাটেরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আনাসকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করে। চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে তাঁর অবস্থা অবনতি ঘটলে লোহাগাড়া মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই থানা পুলিশের একাধিক টিম বিপণি বিতানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে । ঘটনার ক্লু উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর

আরও পড়ুন