২২ মে ২০২৪

এবার ইয়াবা ডন ভূট্টোর পরিবারের দুই ‘প্রাসাদ’সহ সম্পদ ক্রোক

কক্সবাজার প্রতিনিধি »

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ একাধিক তালিকায় ইয়াবা কারবারি গডফাদার হিসেবে আলোচিত কক্সবাজারের টেকনাফের নুরুল হক ভূট্টোর পরিবারের দুইটি রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি ক্রোক করেছে পুলিশ।

ইয়াবা ব্যবসার টাকায় গড়ে ওঠা তিন ব্যবসায়ীর এসব ভবন আদালতের নির্দেশে মালামালসহ ক্রোক করা হয়। এখন থেকে এসব সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করবে পুলিশ। ক্রোক করা এসব সম্পদের আনুমানিক মূল্য ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার বেশি হবে জানিয়য়েছে অভিযানকারিরা।

শনিবার (১ জুন) সকাল হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে ক্রোক অভিযান।

স্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেষ পাওয়া তিন ইয়াবা কারবারিরা হলেন, টেকনাফ সদরের নাজির পাড়ার এজাহার মিয়া (৭০), তার দুই ছেলে নুরুল হক ভুট্টো (৩২) ও নূর মোহাম্মদ ওরফে মংগ্রী (৩৫)।

এদের মাঝে নুরুল হক ভুট্টো সরকারের তৈরী করা ইয়াবার তালিকায় শীর্ষ রয়েছে। আর গত দুই মাস আগে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন অপর অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ ওরফে মংগ্রী।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম টেকনাফের নাজির পাড়া এলাকায় রাজপ্রসাদের মতো ইয়াবা টাকায় বানানো বাড়িগুলোতে অভিযান চালনায়। এসময় তিন ইয়াবা কারবারির দোতলা বাড়ি মালামালসহ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। এসময় বাড়িতে থাকা লোকজনকে বের করে দেয়া হয়।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই প্রথম আদালতের নির্দেশে শনিবার সকালে তিন ইয়াবা কারবারির তিলোত্তমাসম বাড়ি ক্রোক করা হয়েছে। এই বাড়িগুলো এখন পুলিশের হেফাজতে থাকবে। আদালতের নির্দেশে পরবর্তি প্রদক্ষেপ নেয়া হবে। যাদের বাড়িগুলো ক্রোক করা হয়েছে তারা এক সময় রিক্সা ও ভ্যান চালক ছিল। এখন তারা সবাই কোটি টাকার মালিক।

তিনি বলেন, সীমান্তে লবণ চাষি, দিন মজুর, রিক্সা ও ভ্যান চালকরা ইয়াবা বেচাকেনা করে টেকনাফে রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি বানিয়েছে। সারাদেশে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হলে এসব বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে তালিকাভুক্ত ‘ইয়াবা কারবারিরা’। আবার অনেকে গ্রেফতার ও বন্দুকযদ্ধে নিহত হয়েছে। ইয়াবার টাকায় যারা অবৈধ সম্পদের মালিক বনে গেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদেরও একিই পরিণতি হবে বলে উল্লেখ করেন ওসি।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর

আরও পড়ুন