২২ মে ২০২৪

চবির বিজ্ঞপ্তিতে ‘উপজাতি’র স্থলে ‘আদিবাসী’, পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদের নিন্দা

চবি প্রতিনিধি »

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রীতিলতা হলের একটি বিজ্ঞপ্তিতে ‘উপজাতি’ কোটার স্থলে ‘আদিবাসী’ কোটা ব্যবহার করায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ’ চবি।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিকালে সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক সাদাত হোসাইন এর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানানো হয়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে “আদিবাসী” শব্দটি বাংলাদেশের বহুল আলোচিত একটি বিষয়। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নেই, যারা আছেন তাদেরকে “উপজাতি” বা ‘ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী’ হিসেবে সংবিধানে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। তার মানে কি এই যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ সংবিধান পরিপন্থী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করবে? সংবিধানের কথা না হয় বাদ দিলাম, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য আলাদা একটা আইন আছে! সে আইন লঙ্ঘন করে নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের পথ বেছে নেওয়া একজন শিক্ষিকার কাছ থেকে আমরা আশা করি না।

এতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আদিবাসী’ নামে কোন কোটা নেই। যারা এটি ব্যবহার করছে তারা নিজস্ব ভাবমূর্তি বৃদ্ধির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। প্রীতিলতা হলের সম্মানিত প্রভোস্ট, জনাবা পারভীন সুলতানা ম্যাম হলের আবাসিক সিট বরাদ্দের সাক্ষাৎকার বিজ্ঞপ্তিতে ‘আদিবাসী কোটা’ উল্লেখ করেন। যা বিশ্ববিদ্যালয় আইনের পরিপন্থী এবং সংবিধান লঙ্ঘনের পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত। আশ্চর্যের ব্যপার হলো,হলের সিটের জন্য ‘প্রতিবন্ধী’ কোটার কোন উল্লেখ নেই।

এ বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি আমির হোসাইন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে আদিবাসী শব্দটা একটা বিতর্কিত শব্দ, এই শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ের মত এমন জায়গায় সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ায় এবং সংবিধান বহির্ভূত কাজ করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর

আরও পড়ুন