১৪ জুন ২০২৪

জামিলের মুখে হাসি ফুটালো ‘হ্যালো সিএমপি’ অ্যাপ

জামিলুর রহমান, পেশায় বেসরকারি চাকুরিজীবী। রবি কাস্টমার কেয়ার আগ্রাবাদ চৌমুহনীতে চাকুরী করেন। রবি কাস্টমার কেয়ার কর্তৃক আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য গত ২৫ মে আগ্রাবাদ চৌমুহনী থেকে সিএনজি যোগে হালিশহর থানাধীন বেপারীপাড়াস্থ আবদুল্লাহ কনভেনশন হলে আসেন। সিএনজি থেকে নামার কিছুক্ষণপর তিনি বুঝতে পারেন, কাস্টমার কেয়ারে ব্যাবহৃত ল্যাপটপ, চার্জার, অফিসের চাবিসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের ব্যাগটি সিএনজির পেছনেই ফেলে এসেছেন। এ বিষয়ে তিনি হালিশহর থানায় করেন সাধারন ডায়েরী।

হারিয়েছে ডায়েরি লিপিবদ্ধ করার পর সিএমপির পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নিহাদ আদনান তাইয়ানের সার্বিক দিক-নির্দেশনায়, এডিসি স্পিনা রানী প্রামাণিক ও ডবলমুরিং জোনের এসি সব্যসাচী মজুমদারের তত্ত্বাবধানে হালিশহর থানার অফিসার ইনচার্জ কায়সার হামিদের নেতৃত্বে হালিশহর থানার এসআই মো: শাহজালাল, এসআই নজরুল ইসলাম, এএসআই আবদুল হাই বাবলু, এএসআই মিনহাজ আহমেদের সমন্বয়ে একটি আভিযানিক টিম গঠন করা হয়।

আভিযানিক টিম ঘটনাস্থলসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক একাধিক সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে সিএনজি নম্বর শনাক্ত করেন। তারপর হ্যালো সিএমপি অ্যাপের ‌‘আমার গাড়ি নিরাপদ’ সেবার ডেটাবেইজের মাধ্যমে সিএনজির মালিক এবং ড্রাইভারের তথ্য সংগ্রহ করেন। অভিযোগপ্রাপ্তির পর অভিযানিক টিম বন্দর থানাধীন সলগলাক্রসিং এলাকা থেকে সিএনজি সনাক্ত করার মাধ্যমে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই জামিলুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ মালামালের ব্যাগটি উদ্ধার করে তাকে বুঝিয়ে দেন।

রবি কাস্টমার কেয়ারে চাকুরীরত জামিলুর রহমান অনেক বড় বিপদ থেকে বেঁচে গেলেন উল্লেখ করে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন