১৪ জুন ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রেমাল’র প্রভাব

ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানুষের পাশে দাঁড়ালেন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর

ঘূর্ণিঝড় ‌‘রেমাল’র হুংকারে তটস্থ উপকূল। দিনভর ঝড়ো হাওয়াসহ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’র থাবা থেকে রক্ষায় মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের খোঁজ-খবর নিতে ছুটে গেলেন মিরসরাইয়ের ১১নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার।

গতকাল রোববার রাত থেকে মানুষকে সতর্ক করতে এলাকাজুড়ে মাইকিং এবং আজ সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে কিনা— এসব দেখভাল করেন।

এদিকে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের এই কাজে এলাকাবাসীর মনে নতুন আশার আলো বাসা বাধতে শুরু করেছেন। এলাকাবাসী বলছেন, বৃষ্টিতে ভিজে এমন বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন চেয়ারম্যান। এলাকায় এলাকায় গিয়ে মানুষের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন— এর চেয়ে আমাদের জন্য বড় পাওনা আর কি হতে পারে? আমরা তার জন্য দোয়া করি।

গতকাল রোববার (২৬ মে) রাত ৯টা থেকে উপকূল অতিক্রম শুরু করে। এর তাণ্ডবে উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে, বাদ যায়নি মিরসরাইও। বিভিন্ন স্থানে গাছের ডালপালা ভেঙে ভোর থেকে পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

জানতে চাইলে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার বলেন, ‘গতকাল (রোববার) থেকে ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডে মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল থেকে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের খোঁজ-খবর নিয়েছি। বড় ধরনের কোন সমস্যা হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘এই ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব। এই দুর্যোগে আমি ঘরে বসে থাকবো— তা কি করে হয়। সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই। ভবিষ্যতেও যেকোন দুর্যোগে তাদের পাশে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।’

আরও পড়ুন