২৬ মে ২০২৪

নগরীতে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিত

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে সঠিক পরিমাপের গুরুত্ব এবং জনগণকে সচেতন করে তোলাই বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য। ওজন ও পরিমাপের সর্বক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির পরিমাপ (কেজি, লিটার, মিটার) ব্যবহার ও বিএসটিআই কর্তৃক পরীক্ষিত ওজনযন্ত্রে মেপে মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের পরামর্শ দেন আলোচকরা।

সোমবার (২০ মে) সকাল ১১ টায়১৬ তম বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস উপলক্ষেবাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের উদ্যোগে নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এবারের দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল- আন্তর্জাতিক পদ্ধতির একক মৌলিকভাবে উত্তম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসটিআই চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সেলিম রেজা।

চট্টগ্রাম ওমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসমিন আক্তার বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন জায়গা থেকে ওজনে পণ্য কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এটা সত্যি যে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভ ও তাড়াতাড়ি বড়লোক হওয়ার নেশায় ওজনে পণ্য কম ও পণ্যে ভেজাল দিচ্ছেন। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের হাতে ভেজালমুক্ত পণ্য তুলে দেয়ার লক্ষ্যে প্রশাসন, বিক্রেতা, ভোক্তা ও বিএসটিআই এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রামের সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, গত বছর এ দিবসটি উদযাপনের সময় ক্যাবের পক্ষ থেকে আমরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছিলাম। সেটার অগ্রগতি আমরা এখনও পাই নাই। আমাদের দেয়া প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে জনগণ উপকৃত হতো। কাপড়ের ব্যবসায়ীরা মিটারে কাপড় কিনে তা ক্রেতাদের কাছে গজে বিক্রি করছেন। এভাবে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা করছেন। আমরা যে যেখানেই কর্মরত থাকি না কেন, আমরা প্রত্যেকেই কিন্তু ভোক্তা। তাই ওজনে কম দেয়া, ভেজাল পণ্য বিক্রি বন্ধে বিএসটিআই এর নজরদারি আরও বাড়াতে হবে এবং জনগণকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।

বিএসটিআই চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সেলিম রেজা বলেন, পণ্যের জাতীয় মান প্রণয়ন, মান নিয়ন্ত্রণ, গুণগতমানের নিশ্চয়তা বিধান এবং ওজন ও পরিমাপে কারচুপি রোধসহ সর্বক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতি বাস্তবায়নে বিএসটিআই কাজ করে যাচ্ছে। দেশে উৎপাদিত ১৮১ টি শিল্প, খাদ্য ও কৃষিজাত পণ্যের গুণগতমান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। মানহীন ও অনিরাপদ খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য ভোক্তাগণের জন্য ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ জাতীয় পণ্য বর্জন করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিক ও ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম

আরও পড়ুন