২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

পদ্মা সেতুতে বসলো ১৩তম স্প্যান, ২ কিলোমিটার দৃশ্যমান

বাংলাধারা ডেস্ক »

পদ্মা সেতুর ‘৩বি’ নামের ১৩তম স্প্যানটি মাওয়া প্রান্তে ১৪ ও ১৫ নম্বর খুঁটির উপর বসানো হয়েছে। এই স্প্যানটি স্থাপনের পর সেতুর প্রায় ২ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) সকালে, এ স্প্যানটি পিলারে উপর বসানো হয়েছে। ধূসর রংয়ের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটি ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ক্রেন বহন করে নিয়ে আসে। এ নিয়ে পদ্মা সেতুতে এ বছর সাতটি স্প্যান বসানো হলো। এর আগে ২০১৭ ও ২০১৮ সালে দুই বছরে ছয়টি স্প্যান বসানো হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, নকশা নিয়ে জটিলতা কেটে যাওয়ায় নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এ বছর একাধিক স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা আছে। সেতু নির্মাণে মোট ৪২টি পিয়ারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসানো হবে।

এদিকে, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। ২২ মার্চ পদ্মা সেতুর ৩৫ ও ৩৪ নম্বর পিয়ারের ওপর নবম স্প্যানটি বসানো হয়। ওই দিন ১ হাজার ৩৫০ মিটারের সেতু দৃশ্যমান হয়। ১০ এপ্রিল মাওয়া প্রান্তে ১৩ ও ১৪ নম্বর পিয়ারের ওপর ১০ম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে সেতু ১ হাজার ৫০০ মিটার দৈর্ঘ্যে রূপ নেয়।

২৩ এপ্রিল পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিয়ারের ওপর বসানো হয় ১১তম স্প্যান। সব শেষ ৬ মে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের মাঝামাঝি স্থানে ২০ ও ২১ নম্বর পিয়ারের পর আরেকটি স্প্যান বসানো হয়। ফলে, পদ্মা সেতুর ১ হাজার ৮০০ মিটার দৃশ্যমান হয়।

দ্বিতল পদ্মা সেতু হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরার মধ্যে। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য (পানির অংশের) ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ডাঙার অংশ ধরলে সেতুটি প্রায় নয় কিলোমিটার দীর্ঘ হবে। পুরো সেতুতে মোট পিয়ারের সংখ্যা ৪২। প্রতিটি পিয়ারে রাখা হয়েছিল ছয়টি পাইল। একটি থেকে আরেকটি পিয়ারের দূরত্ব ১৫০ মিটার।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর/এসবি

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ