২৫ এপ্রিল ২০২৪

শাহপরীর দ্বীপে ২৫ ড্রাম অকটেনসহ ২ পাচারকারি ধরা

কক্সবাজার থেকে অবৈধভাবে নৌ-পথে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে জ্বালানি ও ভোজ্য তেল। এবার টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাচারে মজুদ রাখা এক হাজার ৪১৫ লিটার অকটেন, ৪০ কেজি পেঁয়াজ, ৩১ কেজি রসুন, ৩৬ কেজি আদা জব্দ করা হযেছে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মাঝের পাড়া এলাকা থেকে এসব পণ্য জব্দ করা হয়। এ সময় পাচারের জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে, পালিয়ে গেছে একজন। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার এ তথ্য জানিয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন, টেকনাফ সবারাং ইউনিয়নের আমান উল্লাহর ছেলে ফয়েজ উল্লাহ (২২) এবং আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুল্লাহ (২০)।

র‌্যাব-১৫-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সালাম চৌধুরী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার সমুদ্রের বিভিন্ন চ্যানেল দিয়ে চোরাকারবারীরা জ্বালানী তৈল অকটেনসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫ চোরাকারবারী ও পাচারকারী চক্রের উপর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব জানতে পারে টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ এলাকা দিয়ে পাচারের জন্য বিপুল পরিমাণ জ্বালানী তৈল অকটেন মজুদ করেছে পাচারকারীরা। এ সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল উক্ত এলাকায় অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপিস্থিতি টের পেয়ে তিন ব্যক্তি পালানোর সময় দুইজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এসময় অপর এক চোরাকারবারী কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় ২৫টি ড্রাম ভর্তি এক হাজার ৪১৫ লিটার অকটেনসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারদের বরাত দিয়ে র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতাররা দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালান এবং পাচারের সাথে জড়িত। তারা দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প থেকে পাইকারি দামে জ্বালানী তৈলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয় করে নিজেদের হেফাজতে মজুদ রাখে। পরে সুযোগ বুঝে উচ্চ মুনাফায় মিয়ানমারে পাচার করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবু সালাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন