জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার»
কক্সবাজারের টেকনাফে বন্ধুর দাওয়াতে যাওয়া এক যুবক অপহরণ করা হয়েছে। ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে টাকা পেতে মেরে রক্তাক্ত করা ভিডিও পাঠায় অপহরণচক্র। ১৭ মার্চ রাতে অপহৃত ভিকটিমকে অভিযোগ পেয়ে ১৮ মার্চ বিকালে উদ্ধার করেছে র্যাব-১৫’র সদস্যরা। তবে, অপহরণ চক্রকে এখনো আটক করা যায়নি। এমনটি জানিয়েছেন র্যাব-১৫’র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল উদ্দিন।
অপহরণের শিকার আবুল বশর, কক্সবাজারের চকরিয়ার বরইতলী প্রহরচাদা (৯ নং ওয়ার্ড) এলাকার বাসিন্দা। তিনি পরিবার নিয়ে বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার নুনিয়ারছড়ায় বাস করছেন।
র্যাব-১৫’র সহকারী পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল উদ্দিন জানান, অপহৃত আবুল বশরের স্ত্রী ছমুদা খাতুন (২৮) গত ১৮ মার্চ র্যাব-১৫ এ অভিযোগ করে বলেন- টেকনাফের রহিম (৩২) তার স্বামীর পরিচিত বন্ধু। গত কিছু দিন ধরে রহিম তার স্বামীকে টেকনাফে তার এলাকায় বেড়াতে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এরই সূত্রে গত ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবসের দিন বিকাল ৪টার দিকে রহিমের উদ্দেশ্যে তার স্বামী কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যেতে বাড়ী হতে বের হয়। একই দিনগত রাত আনুমানিক ১১টা ৪০মিনিটের দিকে তার স্বামীর মোবাইল হতে রহিম ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে এবং টাকা না দিলে তার স্বামীকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলা হবে বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে ফোন কেটে দেয়। এর প্রায় ১৫-২০ মিনিট পরে তার স্বামীকে রক্তাক্ত এবং জখম করার একটি ভিডিও তার ইমু আইডিতে পাঠায় রহিম। এতে পরিবারটি বিচলিত হয়ে পড়ে।
তিনি আরো জানান, সকালেই বিষয়টি র্যাব-১৫ অবগত হয়ে র্যাবের একটি আভিযানিক দল কৌশলে টেকনাফে অভিযানে যায়। প্রযুক্তির মাধ্যমে বশরের অবস্থান টেকনাফের সাবরাং বাজার এলাকায় পেয়ে বিকাল ৪টার দিকে ভিকটিমকে রক্তাক্ত উদ্ধার করে। ভিকটিমকে উদ্ধারপূর্বক আইনি পদক্ষেপ নিতে টেকনাফ সদর থানায় হস্তান্তর করে আভিযানিক দল। পরে রহিমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে সেখান হতে পরিবারের সদস্যরা বশর নিয়ে যান।












