২৬ মার্চ ২০২৬

অভিযোগপত্র দেয়া তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুলকে টানা ৭ ঘটনা জেরা

কক্সবাজার প্রতিনিধি»

পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামকে টানা ৭ঘন্টা জেরা করেছে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) ৭ম দফায় শেষ দিন সকাল ১০থেকে সন্ধ্যা ৬টায় আদালত মুলতবির আগ পর্যন্ত তাকে জেরা হরা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম।

এর আগের দিন মঙ্গলবার দিনের প্রথম প্রহরে মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি জামিলুল হককে জেরা করেন আসামির আইনজীবীরা। আর বাকি সময় আদালতে সাক্ষ্য দেন অভিযোগপত্র উপস্থাপনকারি তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খায়রুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পিপি ফরিদুল আলম বলেন, বুধবার ৭ম দফায় শেষ দিন সকাল ১০থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামকে জেরা করেছে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা। এর পরেও তদন্ত কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়নি উল্লেখ করে আগামী ২৯, ৩০ নভেম্বর ও ১ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯ টায় ওসি প্রদীপ সহ এই মামলার ১৫ জন আসামিকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আদালতে নিয়ে আসা হয়।

৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে মেজর সিনহা নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা করে। ঘটনার পর গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মেজর সিনহার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

আলোচিত এ মামলায় গত বছর ১৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ওসি প্রদীপসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ৮৩জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬৫জনের সাক্ষ্যপ্রদান করেছেন।

বাংলাধারা/এফএস/এফএস

আরও পড়ুন