বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শেষ কৃত্যানুষ্ঠানের স্থান অভয়মিত্র মহাশ্মশান উান্নয়ন সংস্কার ও রক্ষণা-বেক্ষণের দায়-দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের হলেও এই কাজে সহায়তায় বেসরকারি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান অদুল-অনিতা ট্রাষ্টের সম্পৃক্ততার আগ্রহকে স্বাগত জানাই উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক নগর ভবনে অভয়মিত্র মহাশ্মশানের সংস্কার ও উন্নয়নে সহায়তা প্রদানে আগ্রহী অদুল-অনিতা ট্রাষ্টের কো-চেয়ারম্যান শ্রীমতি অনিতা চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তাদের ধন্যবাদ জানান চসিক প্রশাসক।
চসিক প্রশাসক সুজন বলেন, প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হবার পর মহাশ্মশানটি পরিদর্শনে গেলে এখানকার সমস্যা ও অব্যবস্থাপনাগুলোর বিষয়ে অবগত হই। জানতে পারি পূর্ণিমা-আমবশ্যা তিথিতে কর্ণফুলীতে জোয়ারের সময় মহাশ্মশানটিতে হাঁটু পানি দাঁড়িয়ে যায়। এই সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শবদেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই সমস্যার প্রধান উপায় হলো শ্মশানটি ২-৩ ফুট মাটি ভরাট করে উঁচু করা। এছাড়া এখানকার মন্দির সংস্কার ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নও প্রয়োজন বলে মনে করেন প্রশাসক।
তিনি অদুল-অনিতা ট্রাষ্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নে ধর্মানুরাগী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠারেনর সহায়তা সত্যিকার অর্থেই একটি ধর্মীয় ও মানবিক শুভ সামাজিক উদ্যোগ। আশাকরি অভয় মিত্র মহাশ্মশানের উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত স্থাপনায় চসিকের পাশাপশি অদুল-অনিতা ট্রাষ্টের সহায়তা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আকাঙ্খা পূরণের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
প্রশাসক চসিকের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মানিককে অভয়মিত্র মহাশ্মশানের উন্নয়নে করণীয় বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করার নির্দেশনা দেন।
এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের আন্তরিকতায় চট্টগ্রামের সনাতনী সমাজের শেষ ঠিকানা অভয়মিত্র মহাশ্মশান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলেন অদুল-অনিতা ট্রাষ্টের সন্মানিত কো-চেয়ারম্যান শ্রীমতি অনিতা চৌধুরী। এসময় প্রশাসক মহোদয় ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান বিদেশে অবস্থানরত বিশিষ্ট দানবীর শ্রী অদুল চৌধুরী মহোদয়ের সাথেও ফোনে কথা বলেন।
সৌজন্য সাক্ষাতকালে চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটির কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ডা. অঞ্জন কুমার পাল ও চসিকের প্রধান প্রকৌশলী, অতি. প্রধান প্রকৌশলী, প্রশাসক মহোদয়ের সচিব, এপিএসসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাধারা/এফএস/এএ












