চট্টগ্রামে ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম (২৮) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গত মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী লিংক রোড এলাকা থেকে তাঁকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আবুল কালাম আজাদ নামের তাঁর এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
গতকাল বুধবার দুপুরে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে ইমতিয়াজ অস্ত্র কেনাবেচার জন্য বায়েজিদ–ফৌজদারহাট লিংক রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। তখন র্যাব অভিযান চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করে। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আরেকটি পিস্তল ও ৫৬টি গুলি উদ্ধার করে র্যাব। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে গ্রেপ্তার ইকরাম সুলতানের স্ত্রী সুচী দাবি করেছেন, তাঁর স্বামী নির্দোষ। তিনি একজন ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, “আমার স্বামী বাসাতেই ছিলেন। আমাদের বাসায় কোনো অস্ত্র ছিল না। পরিকল্পিতভাবে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি গর্ভবতী। বাসায় ফিরে ভেতরের অবস্থা ফেসবুকে লাইভে দেখাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু র্যাব সদস্যরা তাতে বাধা দেন।” তাঁর অভিযোগ, অভিযানের সময় পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
ইকরামের পরিবারের দাবি, চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদকে ধরিয়ে দিতে পুলিশকে সহায়তা করায় তাঁকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে। তাঁরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।
এদিকে আটকের পর গতকাল দুপুরে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে ইমতিয়াজ অস্ত্র কেনাবেচার জন্য লিংক রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। তখন র্যাব অভিযান চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করে। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাসায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আরেকটি পিস্তল ও ৫৬টি গুলি উদ্ধার করে র্যাব। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।













