আনোয়ারায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেছে স্বামী।
রোববার (২৯ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ গ্রামে স্বামীর বসতঘর থেকে জিন্নাত আরা বেগম (২৬) নামে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর স্বামী ওমর ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।
নিহত জিন্নাত আরা বেগম বাঁশখালী উপজেলার জলদি মিয়ার বাজার এলাকার মো. হোসেনের মেয়ে। দুই বছর আগে তিনি মো. ওমর ফারুকের (৩০) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের সংসারে আট মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়িতে ফেরেন জিন্নাত আরা। এরপর স্বর্ণ বন্ধক রাখা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
নিহতের বোন হাসনাত আক্তার বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর বোন মেসেজ দিয়ে নির্যাতনের কথা জানিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে যৌতুকসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁকে নির্যাতন করছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিহতের মামা জয়নাল আবেদীন দাবি করেন, এটি আত্মহত্যা নয়, বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমার ভাগনির মুখ ও গলায় দাগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্বামী ও শাশুড়িকে আসামি করে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, বিছানায় পড়ে থাকা অবস্থায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের থুতনি ও গলায় দাগ রয়েছে। তবে নিহতের পরিবার নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনেরা মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।












