১৩ মার্চ ২০২৬

আনোয়ারার চাতরী চৌমুহনী বাজারে যানজট ও জলাবদ্ধতায় স্থবির জনজীবন

খালেদ মনছুর  »

আনোয়ারার অন্যতম প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র চাতরী চৌমুহনী বাজারে এখন চলাফেরা করা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। হকারদের উৎপাত, যানজট আর জলাবদ্ধতায় একাকার হয়ে গেছে। গত একদিনের সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে বাজারের ক্রেতা বিক্রেতাদের চলাচলে ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠেছে। তবে, এসব যাদের দেখার বিষয় বাজার ইজারাদার বা উপজেলা প্রশাসনের তারাই এসব ব্যাপারে নির্বিকার রয়েছে। জলাবদ্ধতা আর হকারদের উৎপাত বন্ধ না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সরেজমিন দেখা যায়, আনোয়ারা উপজেলার ব্যস্ততম চাতরী চৌমুহনী বাজারের সিইউএফল সড়কের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে বিভিন্ন ধরণের পণ্য সামগ্রী নিয়ে দখল করে রয়েছে হকাররা। সরু গলির ন্যায় সড়কের সামান্য অংশ দিয়েই শত শত যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল বিকাল কেএসআই সু ফ্যাক্টরী ছুটি হলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বাজারে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশদের এসময় যানজট নিরসনে হিমশিম খেতে হয়। ঘন্টার পর ঘন্টা যানজট লেগেই থাকে। এতে করে বাজারে আসা যাত্রী সাধারনের মাঝে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে।

আমিন কমপ্লেক্স্রের ব্যবসায়ী মো. মাকছুদ বলেন, এভাবে একটি বাজার চলতে পারেনা। হকারদের কারণে ফুটপাত দিয়ে সাধারণ মানুষ চলাচল করতে পারেনা। অনেক সময় মেয়েরা ইভটিজিংয়ের স্বীকার হয়।

চাতরী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা মো. ইউচুপ বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের জন্য এটি একটি বৃহত্তম বাজার। এখানে আনোয়ারা ছাড়াও অন্যান্য উপজেলার লোকজন কেনাকাটা করতে আসেন। জলাবদ্ধতা আর যানজটের কারণে বাজারে চলাচলা করা দুঃসাধ্য হয়ে উঠেছে।

চাতরী বাজরের ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ টিআই হাবিব হাসান বলেন, সড়কের অর্ধেক জুড়ে হকাররা দখল করে রেখেছে। এজন্য বাজারের যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা কিছু করতে পারিনা। মামলাও দিতে পারিনা। এটা উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগ নিলে আমরা সহযোগিতা করব।

উপজেলা ভুমি সহকারি কমিশনার তানভীর হাসান চৌধুরী বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে বাজারের জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বাজার ইজারাদার বা ইউনিয়ন পরিষদ কেউ এর দায়িত্ব নেয়না। আমি এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

বাংলাধারা/এফএস/এঅর

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ