২৭ মার্চ ২০২৬

আনোয়ারায় গুচ্ছগ্রামের সরকারি বরাদ্ধের জায়গার বাইরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক

খালেদ মনছুর, আনোয়ারা প্রতিনিধি »

আনোয়ারা উপজেলার বটতলী পুরাতন গুচ্ছগ্রামে সরকারের বরাদ্ধের বাইরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক পড়েছে। সরকারি নির্দেশনা না মেনে যে যার মতো এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছে বলে জানা গেছে। কেউ দোকান ঘর, কেউ গোয়াল ঘর আবার কেউ কেউ টিন দিয়ে আত্মীয় স্বজনের জন্য ঘর ও নির্মাণ করেছে বলে জানা গেছে।

আবার অনেকে নিজের দোকান ঘর অক্ষত রেখে ভূমি অফিসের লোক দিয়ে অন্যজনের ঘর ভেঙ্গে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও তারা অমান্য করে এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ২০০০ সালের দিকে সরকার ভূমিহীনদের জন্য বটতলী এলাকায় গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ করে বরাদ্ধ দেয় সরকার । ৫০ পরিবারকে দুই রুমের এই পাকা ঘর দেয়া হয়। পরে আরো ১০০ পরিবারকে টিনের ঘর প্রদান করা হয়। তবে, উপকারভোগীরা সরকারি বরাদ্ধের জায়গার বাইরে অতিরিক্ত অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে দিব্যি ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে আত্মীয় স্বজনের থাকার জায়গা পর্যন্ত নির্মাণ করছেন। এসব অবৈধ ঘর নির্মাণ নিয়ে একে অপরের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগে রয়েছে।

আরও জানা যায়, প্রভাব খাটিয়ে অনেকে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা দিয়ে অন্যজনের ঘর জোরপূর্বক ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এসব নিয়ে নিত্যদিন উপকারভোগীদের মাঝে কলহ লেগেই রয়েছে।

গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দাদের দাবী, অতিরিক্ত জায়গা দখলে কেউ যাতে এককভাবে সুবিধা নিতে না পারে সেদিকে প্রশাসনের নজর দেয়া উচিত।

গুচ্ছগ্রামের সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, ‘এখানে ঈসমাইল নামে একজন খেলার মাঠ দখল করে ঘর নির্মাণ করায় আমি উপজেলা প্রশাসনকে বলে তার ঘর ভেঙ্গে দিয়েছি। আরেকজন সাহাবুদ্দিন দোকান নির্মাণ করছে। সেও কারো থেকে অনুমতি নেয়নি। এখানে অবৈধভাবে কারো ঘর নির্মাণের পক্ষে আমি নই।’

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান চৌধুরী বাংলাধারাকে বলেন, ‘সরকারি বরাদ্ধের বাইরে কেউ এক ইঞ্চি জায়গাও দখল করতে পারবে না। আমরা এসব অবৈধ স্থাপনাগুলো শীঘ্রই ভেঙ্গে ফেলব।’

বাংলাধারা/এফএস/এআই

আরও পড়ুন