আনোয়ারা প্রতিনিধি»
আনোয়ারা উপজেলা সালিশী বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় ৭ জন আহত হয়েছে। গত ২২ সেপ্টেম্বর বটতলী গ্রামের সেকান্দর মাঝির বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন মো. আবছার উদ্দিন(২৭), মো. কায়ছার (৩০), মো. সোহেল (২৭), পেঁচু মিয়া (৫২),সামশুল আলম (৫৫)। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বটতলী ইউনিয়নের সেকান্দর মাঝির বাড়ীর মো.বশির ও সাইফুর রহমানদের সাথে একই এলাকার সামশুল আলম গংদের মধ্যে জায়গা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ত্রিমুখী বিরোধ চলে আসছিল। গত ২২ সেপ্টেম্বর বিরোধ মীমাংসায় এলাকায় শালিশ বৈঠক চলছিল। সার্ভেয়ারের মাপামাপির এক পর্যায়ে সামশুল আলম গংরা অতর্কিত ভাবে লাঠিসোটা ও লোহার রড দিয়ে বাকী দুই পক্ষের লোকজনের উপর হামলা চালিয়েছে। এতে দুই পক্ষের ৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সাইফুর রহমান বাবুল ও মো. বশির বাদী হয়ে সামশুল আলমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
সাইফুর রহমান বাবুল বলেন, আমরা তিন পক্ষের মধ্যে বিরাধ মীমাংসায় পূর্ব নির্ধারিত শালিশী বৈঠক চলছিল। এক পর্যায়ে সামশুল আলমরা লাঠিসোটা ও লোহার রড নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের উপর হামলা চালায় । হামলায় আমিসহ দুই পক্ষের সাতজন আহত হয়েছে। আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, এখানে ত্রিমুখী মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তিন পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারা চাইলে তিন পক্ষের মামলাই রেকর্ড করা হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












