ক্রীড়া ডেস্ক»
আধিপত্য দেখিয়ে আফগানিস্তানকে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারাল বাংলাদেশ। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ ঘরে তুলল টাইগাররা। সেই সঙ্গে প্রথম দল হিসেবে সুপার লিগে ১০০ পয়েন্টের কীর্তি গড়ল তামিমবাহিনী।
৩০৭ রানের বিশাল লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে আফগানিস্তান। প্রথম ৪ ওভারের মধ্যেই সফরকারীরা ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে। আফিফ হোসেনের সরাসরি থ্রোয়ে বিদায় নেন ওপেনার রিয়াজ আহমেদ (১)।
এরপর শরিফুলের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আফগান অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শহীদি (৫)। এবার দশম ওভারে সাকিব আল হাসানের স্পিনে বিভ্রান্ত হয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন চারে নামা আজমতুল্লাহ ওমরজাই (৯)।
দলীয় ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারায় আফগানরা। সেখান থেকেই নজিবুল্লাহ ও রহমতের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। দুজনের জুটিতে আসে ৯০ বলে ৮৯ রান। এর মধ্যে রহমত ফিফটি তুলে নেন ৬৯ বলে। তবে পরের ওভারেই তাসকিনের বল রহমতের (৫২) স্ট্যাম্পের বেল ভেঙে দেয়। ওই ওভারেই সিরিজে টানা ফিফটি তুলে নেন নজিবুল্লাহ। ৫৭ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর অবশ্য বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। ৩ ওভার পরে সেই তাসকিনের বলেই মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৬১ বলে ৫৪ রান করেন নজিবুল্লাহ। এরপর আঘাত হানেন সাকিব। দেশসেরা অলরাউন্ডারের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরেছেন রহমতউল্লাহ গুরবাজ (৭)।
১৫১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর আফগানিস্তানের শেষ ভরসা হয়ে ছিলেন মোহাম্মদ নবি। রশিদ খানকে নিয়ে কিছুদূর এগিয়েও গিয়েছিলেন আফগান অলরাউন্ডার। কিন্তু বিপদজনক হয়ে ওঠার আগেই তাকে আফিফের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। নবির ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৩২ রান। এরপর ৪১তম ওভারে মোস্তাফিজের প্রথম দুই বলে ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে বড় কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন রশিদ খান। কিন্তু তৃতীয় বলেই রশিদকে (২৯) ফুল কাটারে বোল্ড করে ফেরান মোস্তাফিজ। ৪৫তম ওভারে মুজিবকে (৮) বিদায় করেন মাহমুদউল্লাহ। পরের ওভারে ফারুকিকে ফিরিয়ে আফগান ইনিংস গুঁটিয়ে দেন আফিফ।
বল হাতে ২টি করে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন ও সাকিব। আর ১টি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন মোস্তাফিজ, শরিফুল, মিরাজ, মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ।












