বাংলাধারা প্রতিবেদন »
সারাদেশে টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে ফের বেড়েছে সবজির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজি কেজিতে দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আজীজুল হক জানান, বেশ কিছু দিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। শহরে পর্যাপ্ত সবজি আসছে না। চট্টগ্রামে কিছু উপজেলা থেকে সবজি আসছে। যা ক্রেতার চাহিদার তুলনায় সামান্য। সেই সবজি দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা মিটানো হচ্ছে। এসব কারণে বাজারে বেড়েছে সবজির দাম।
শুক্রবার(১১ জুন) নগরীর বাজারগুলোতে দেখা যায়, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি সবজি। বাজারে বরবটি ৩০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, গাজর সপ্তাহে ব্যবধানে ২৫ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়। সাতদিনে গাজরে দাম বেড়েছে প্রায় ৫০-৬০ টাকা। শসা আকারে ছোট ২০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, আকারে বড় শসা ৪০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। টমেটো ৩০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। বেগুন ৩০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। কাকরোল ৪০ থেকে বেড়ে ৬০ টাকায়, ধন্দুল ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকায়, ঢেঁডস ২০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকায়, পটল ৩০ থেকে বেড়ে ৫০ টাকায়, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকায়, চিচিঙ্গা ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকায়, লতি ৪০ টাকায়, কচুর চড়া ৬০ টাকায়, পেঁপে ৩০ টাকায়, লাউ ৪০ টাকায়, কুমড়ো ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে আলু ও কাঁচামরিচের দাম। আলু প্রতি কেজি ২০ টাকায় ও কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।
এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ ও মাংদের দাম। নগরীর বাজারগুলোতে দেখা যায়, রূপচাঁদা আকার ভেদে ২৫০-৫০০ টাকা, আইড় মাছ ২৫০-২৮০ টাকায়, বাইলা ২৫০-২৮০ টাকায়, পোয়া মাছ ২০০-২৮০ টাকা, ইলিশ আকার ভেদে ২৫০-৫শ’ টাকায়, ছুরি মাছ ২০০-২৮০ টাকায়, লইট্যা আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৫০ টাকায়, পাবদা ৪৫০-৪৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশী মাছের মধ্যে রুই আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২৫০ টাকায়, কাতাল ২০০-২৮০ টাকায়, মৃগেল মাছ ১৫০-২০০ টাকায়, কার্ফ মাছ ২০০-২৬০ টাকায়, তেলাপিয়া মাছ ১২০-১৪০ টাকায় ও পাঙ্গাস ১১০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে কৈ ও চিংড়ি মাছ। কৈ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকায় ও চিংড়ি আকার ভেদে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে লেয়ার ২৪০ টাকায়, সোনালী ২২০ টাকায়, দেশী মুরগি ৪৮০ টাকায় ও ব্রয়লার ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাড় ছাড়া গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়, হাড়সহ ৬৫০ টাকায় ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।
সবজির দাম বাড়লেও কমেছে পেঁয়াজের দাম। আমদানি করা পেঁয়াজ ৪০ টাকায় ও দেশী পেঁয়াজ ৪২-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রসুন, আদা ও ভাজ্যেতেলের দাম। দেশী রসুন ৮০ টাকায় ও আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। দেশী আদা ৮০ টাকায় ও আমদানি করা আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। খোলা সুপার সয়াবিন তেল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকায়।
বাংলাধারা/এফএস/এআর












