১৩ মার্চ ২০২৬

আষাঢ়ের বৃষ্টিতে স্থবির জনজীবন, ভূমি ধসের আশঙ্কা

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের নগরজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। বৃষ্টিতে চরম বিপাকে পড়েছেন নগরীর খেটে খাওয়া মানুষেরা। নগরীর নিচু এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। গণপরিবহণ সংকটে চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে অফিসগামী ব্যক্তিদের। এদিকে আবহাওয়াবিদেরা আশঙ্কা করছেন, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ভূমি ধসের ঘটনা ঘটতে পারে।

আগ্রাবাদের বাসিন্দা মাসুম বাংলাধারাকে জানিয়েছেন, সমগ্র আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকায় সকাল থেকেই গণপরিবহণের সংখ্য ছিল কম। গণপরিবহণে ঠাসাঠাসি করে ওঠার বিধিনিষেধ রয়েছে। তাছাড়া করোনার আতঙ্ক তো রয়েছেই। অফিসে যাওয়া-আসার সময় গাড়ি না পেলে বৃষ্টিতে ভিজে অস্বস্তির সৃষ্টি হয়। তার উপর বৃষ্টি হলেই নগরজুড়ে রিকশা-সিএনজির ভাড়া অনেকাংশেই বেড়ে যায়।

রিকশা চালক গনি মিয়া বাংলাধারাকে জানান, সকাল থেকেই টানা বৃষ্টি। অফিস সময়ে কিছু যাত্রী পেয়েছিলাম। এরপর আর তেমন যাত্রী না পাওয়ায় আজ উপার্জনে ভাটা পড়েছে।

নগরীর লালখান বাজারে ফুটপাতে বসে ডিম বিক্রি করতেন আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, ‘আগে প্রতিদিন এক থেকে দেড় হাজার টাকা বিক্রি হতো। আজ তেমন বেচাকেনা নেই। রাস্তাঘাটে মানুষের সংখ্যা অনেক কম। এ কারণে বেচাকেনাও কম।

এদিকে দেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ সময় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে পাহাড় ধসও হতে পারে বলে জানিয়েছে পতেঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ