চট্টগ্রাম পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ভাই ওসমান আলী সেগুনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের পর তাকে মনসুরাবাদ ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরের খুলশী থানার ইমপেরিয়াল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপি খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম।
তিনি জানান, খুলশী থানা পুলিশের সহযোগিতায় ওসমান আলী সেগুনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে থানার বাইরে অন্যত্র রাখা হয়েছে; এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এর আগে চট্টগ্রামে আলোচিত ‘সন্ত্রাসী’ আলী আকবর ওরফে ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৬ মে দিবাগত রাতে র্যাব-৭ ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের যৌথ অভিযানে নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন একটি ক্লাব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
গ্রেপ্তার হওয়া ওসমান গণি সেগুন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার তালিতাতলী এলাকার মৃত আব্দুল গণি কন্ট্রাক্টরের ছেলে।
নিহত আকবর একই থানার মঞ্জু মিয়ার ছেলে; তিনি এলাকায় ‘ঢাকাইয়া আকবর’ নামে পরিচিত ছিলেন এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ মে রাতে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সশস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হন আকবর। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রী রুপালী বেগম পতেঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ওসমান গণি সেগুন ওই মামলার একজন আসামি।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গত ৫ নভেম্বর নগরের চালিতাতলী হাজিরপোল এলাকায় এক রাজনৈতিক গণসংযোগ কর্মসূচির সময় গুলিতে নিহত হন সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা নামে আরেক সন্ত্রাসী। ওই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগেও ওসমান আলীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, অপরাধ জগতের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে সরোয়ার হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে—এমন তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।













