বাংলাধারা প্রতিবদেন »
নগরীর বায়েজিদ থানা এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি এবং পরবর্তী সময়ে ইয়াবা সংক্রান্ত মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। এই আট পুলিশ সদস্যসহ মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের একটি আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দীন মুরাদের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মো. আবদুল ওয়াহেদ নামে এক ভুক্তভোগী। আদালত মামলা গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উত্তর জোনের উপ-কমিশনারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- বায়েজিদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম, এসআই গোলাম মো. নাসিম, এসআই মো. নুর নবী, এএসআই অমিত ভট্টাচার্য্য, এএসআই মো. শরীফুল ইসলাম, এএসআই মো. আশরাফুল ইসলাম, কনস্টেবল মো. সোলাইমান ও ফৌজুল করিম এবং পুলিশের সোর্স ডোনার রুবেল।
বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর বলেন, আদালত মামলাটি গ্রহণ করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনারকে (উত্তর) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, ১৩ জুলাই রাতে বায়েজিদ থানাধীন মুরাদনগর জামাল কলোনী এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রির বিষয়ে কথা বলার সময় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে বাদিকে থানায় ধরে নিয়ে যান। এ সময় বাদিকে মারধরও করেন অভিযুক্তরা। বাদির সঙ্গে থাকা আরও তিনজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়।
‘প্রত্যেকের মুক্তির জন্য ২ লাখ টাকা করে দাবি করেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকি দেন। স্বজনরা থানায় দেখা করতে গেলে তাদের থেকেও ৫ হাজার টাকা দাবি করেন অভিযুক্তরা। পরে বাদি মো. আবদুল ওয়াহেদকে ২৫ পিস ইয়াবা, তার সঙ্গে থাকা মো. হোসেনকে ২০ পিস, মো. হানিফকে ১৫ পিস ও আবুল হোসেনকে ২০ পিস ইয়াবা দিয়ে মামলা দিয়ে আদালতে চালান দেন।’
এছাড়া আদালতে চালান দেওয়ার আগে বাদি মো. আবদুল ওয়াহেদের মানিব্যাগ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, মো. হোসেনের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নিয়ে ফেলে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন বাদি মো. আবদুল ওয়াহেদ।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ












