বাংলাধারা প্রতিবেদক »
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হওয়ার পরও মিরসরাইয়ের ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে হয়রানির অভিয়োগ উঠেছে নগরীর চকবাজার থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। এমনকি` তিনি দিনের রিমান্ডে নিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে পরিবারের পক্ষ থেকে।
রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার থানা পুলিশ। এরপর তাকে তিনদিনের রিমান্ডেও নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
গ্রেফাতার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জের পশ্চিম দুর্গাপুর গ্রামের আবু ছালেকের ছেলে।
এর আগে গত সোমবার চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জানা গেছে, সিএমপির চকবাজার থানায় নওশাদ মাহমুদ রানা নামে এক ব্যক্তির ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় গত রোববার নিজ বাড়ি থেকে রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করা হয়। গত সোমবার তাকে আদালতে প্রেরণ করলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।
রেজাউল করিমের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এটি পরিকল্পিত ঘটনা। রেজাউল করিম উক্ত মামলার আসামি নন। মামলার এজাহারে উল্লেখিত ঘটনার সাথে রেজাউল করিমের কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নাই। মামলার বাদী নওশাদ মাহমুদ রানার সাথে আমার ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।’
এজাহারে নাম নেই— এমন লোকের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার কোনো কারণ নেই মনে বলে জানান চট্টগ্রামের আইনজীবী জুবাঈদা সরওয়ার নিপা। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এমন ঘটনা অতীতে দেখিনি। রিমান্ডের নামে ওই ব্যক্তিকে নির্যাতনের সন্দেহ হচ্ছে আমাদের। এ ঘটনায় যিনি অভিযুক্ত বা যার সিম ব্যবহার করেছে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি।’
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস জাহান বলেন, ‘তদন্ত প্রক্রিয়াধীন। তদন্তে তথ্য-প্রমাণে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে গ্রেফতার করা যায়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। মামলার প্রয়োজনীয় তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা তার রিমান্ড চেয়েছেন।’












