চবি প্রতিনিধি »
শাটল ট্রেনে চড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আসলেন রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। এসময় তিনি শাটল থেকে নেমেই শাটলের কয়েকটি বগি পরিদর্শন করেন। পরে উপাচার্যের সভা কক্ষে এক মত বিনিময় সভায় শাটলের বিভিন সমস্যা তুলে ধরলে তিনি নতুন শাটল যুক্ত হওয়ার আশ্বাস দেন।
বুধবার (২৪ জুলাই) নগরীর বটতলী রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ২টা ৫০ মিনিটের শাটলে চড়ে প্রায় সাড়ে চারটার দিকে চবি ক্যাম্পাসে আসেন মন্ত্রী। এসময় দেখা যায় শাটলে যুক্ত করা হয়েছে বাড়তি তিনটি শোভন কোচের বগি। স্টেশন চত্ত্বরেই মন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন চবি উপাচার্য (রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।
এরপর কয়েকটি বগিতে উঠে মন্ত্রী ভেতরের অবস্থা দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সমস্যা জানতে চান এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের সংবর্ধনা গ্রহণ করে উপাচার্য কার্যালয়ে যান।
সেখানে এক মতবিনিময় সভায় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, প্রক্টরিয়াল বডি, ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ও চট্টগ্রাম রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়।
এসময় রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, বিদ্যমান শাটল ট্রেনের পাশাপাশি নতুন করে আধুনিক আরেকটি শাটল যুক্ত করা হবে। যেটিতে ওয়াইফাই ও এসির সুব্যবস্থা থাকবে। পুরাতন ট্রেনে সংযুক্ত হবে লাইট,ফ্যান। আসার পথে পুরো রেললাইন সঠিক মনে হয়নি, যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ লাইনটি সংস্কার করা হবে। এছাড়াও রেল স্টেশনের ছাউনি ও ফ্ল্যাটফর্ম সংস্কার করা হবে। প্রয়োজনে চবি স্টেশন চত্ত্বরে রেল লাইনের দুই পাশে প্লাটফর্ম করা হবে।
এসময় মত বিনিময় সভায় রেলওয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গতঃ শহর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম শাটল ট্রেন। কিন্তু কম বগি,ঝুঁকিপূর্ণ রেললাইন, সংকীর্ণ প্লাটফর্মসহ বহিরাগত মানুষের যাতায়াতের কারণে ভোগান্তিতে পড়ে শিক্ষার্থীরা। যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে ট্রেনে বগি বৃদ্ধি, রেললাইন সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবীতে আন্দোলন করেছে শিক্ষার্থীরা।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর












