১৩ মার্চ ২০২৬

ওড়িশায় আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’

বাংলাধারা ডেস্ক  »

অতিশক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বঙ্গোপসাগরের উত্তর-উত্তর পশ্চিম অগ্রসর হয়ে ডামরার উত্তর এবং বালাশ্বরের দক্ষিণ দিক দিয়ে ভারতের উত্তর ওড়িশার উপকূলে আঘাত হেনেছে। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার, সর্বোচ্চ ১৫৫ কিলোমিটার। 

বুধবার (২৬ মে) সকালের দিকে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ওড়িশা উপকূলে ঝড়ো হাওয়া ও প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির উপকূল অতিক্রম করতে ৩ ঘণ্টা সময় লাগবে। বৃহস্পতিবার এটি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

আবহাওয়া বিভাগ আরও জানান, গত ৬ ঘণ্টা ধরে ঘণ্টায় ১৭ কিলোমিটার গতিবেগে এগোচ্ছে ইয়াস। বুধবার দুপুরের মধ্যে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রূপে ইয়াস ওড়িশার পারাদ্বীপ ও পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপের মধ্যে ওড়িশার বালেশ্বরের দক্ষিণ ও ধামরার উত্তর দিক দিয়ে অতিক্রম করে যাবে। এটি পরে ঝাড়খণ্ডের দিকে চলে যাবে।

বুধবার সকাল ৯টার পূর্বাভাসে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৫২০ কিমি. পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৫২০ কিমি. পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩১০ কিমি. পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৫৫ কিমি. পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

এদিকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রসমুহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমকালে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রামের জেলাসমুহ ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ১০০ কিমি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ঘূর্ণিঝড় ও পূর্ণিমার প্রভাবে এসব অঞ্চলের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৬ ফুটের অধিক উচ্চতার জোয়ারে প্লাবিত হতে পারে।

বাংলাধারা/এফএস/এআর

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ