বাংলাধারা প্রতিবেদন »
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানাধীন রাজাখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৪ টি ওয়ানশুটার গান, ৩ টি এসবিবিএল এবং ৩৮ রাউন্ড গুলিসহ ২ জন অস্ত্রধারী ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮ টা ৪০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানাধীন রাজাখালী ১নং ইউপিস্থ সুন্দরীপাড়া গ্রামের হাজী সাবের আহাম্মেদ ব্রীজের পার্শ্বে তার মাছের প্রজেক্টের ভিতর অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- আনছার (৪০) ও আবুল কাশেম (৩৮)। আনছার কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানার বামুলাপাড়া গ্রামের আহমদ ছফার ছেলে এবং আবুল কাশেম একই এলাকার মৃত বজল আহাম্মদের ছেলে।
র্যাব-৭ এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারা যায় যে, এক ডজনের অধিক মামলার আসামী আনছার ডাকাত তার দলবলসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ঘটানোর উদ্দেশ্যে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানাধীন রাজাখালী ১নং ইউপিস্থ সুন্দরীপাড়া গ্রামের হাজী সাবের আহাম্মেদ ব্রীজের পার্শ্বে তার মাছের প্রজেক্টের ভিতর অবৈধ অস্ত্রসহ অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামী আনছার (৪০) এবং আবুল কাশেম (৩৮) আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেহ ও তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেখানো ও সনাক্ত মতে বর্ণিত স্থানে তাদের মালিকানাধীন টং ঘর তল্লাশী করে ৪ টি ওয়ানশুটার গান, ৩ টি এসবিবিএল এবং ৩৮ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে আরো জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত পরস্পর যোগসাজশে সু-কৌশলে বিভিন্ন এলাকা হতে অবৈধ অস্ত্র গোলাবারুদ সংগ্রহ পূর্বক বিভিন্ন গ্রুপের নিকট বিক্রয় করে আসছে।
এছাড়া আসামীরা কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় লবনের মাঠ দখল, চিংড়ির ঘের দখল ও মাছ ধরার নৌকা থেকে চাঁদাবাজিসহ সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে।
উল্লেখ্য যে, আসামী আনছার এর বিরুদ্ধে কক্সবাজারের বিভিন্ন থানায় ১৭ টির অধিক মামলা রয়েছে এবং আসামী আবুল কাশেম এর বিরুদ্ধে ৬ টির অধিক মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামী এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কক্সবাজার জেলার পেকুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












