১৮ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজারে যুবক হত্যার প্রধান আসামী কফিল উদ্দিন জনতার সহায়তায় গ্রেফতার

জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার »

কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ায় কথাকাটাকাটির জেরে ছুরিকাঘাতে খুন হওয়া মোর্শেদ কামাল হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত কফিল উদ্দিন (১৭) গ্রেফতার হয়েছেন। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামুর জোয়ারিয়ানালা থেকে জনতার সহায়তায় মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত কফিল উদ্দিন ঝিলংজার ৮ নং ওয়ার্ডের খরুলিয়ার কোনারপাড়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ফরিদের ছেলে।

ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান টিপু সুলতান ও ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ জানান, খরুলিয়ার আলোচিত মোর্শেদ কামাল হত্যার প্রধান আসামী কফিল উদ্দিন গভীর রাতে চট্টগ্রাম থেকে ট্রাকযোগে কক্সবাজার আসার খবর পান স্থানীয় ট্রাক চালক নুরুল আজিম। এসময় আজিমসহ আরোও কয়েকজন যুবক মহাসড়কের জোয়ারিয়ানালা থেকে তাকে ধরে খরুলিয়া বাজারে নিয়ে আসেন। তারা বিষয়টি আমাদের জানালে আমরা সদর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস অবগত করি। পরে সদর থানার এস আই ফরিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে হত্যা মামলার প্রধান আসামী কফিলকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মুনীর উল গীয়াস তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হত্যাকান্ডের পর থেকে কফিল পলাতক ছিল। তাকে ধরতে আমরা স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। এলাকার সচেতন জনতা শৃংখলা বাহিনীকে আন্তরিক ভাবে সহযোগিতা করায় হত্যার দেড় মাসের মাথায় প্রধান আসামি গ্রেফতার সম্ভব হলো।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন বিকেলে কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া ঘাটপাড়া এলাকার ছলিমের দোকানের সামনে কফিল উদ্দিন ও মোর্শেদ কামালের মধ্যে ঠাট্টার ছলে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় একে অন্যজনকে তিরস্কার করেন। এই সামান্য বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে মোর্শেদ কামালের পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় কফিল উদ্দীন। এতে মোর্শেদ গুরুতর জখম হন।

তাকে উদ্ধার করে লিংকরোডস্থ মেরিন সিটি হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নেয়ার পথে ডুলাহাজারা পর্যন্ত গেলে গাড়িতে মোর্শেদ কামালের মৃত্যু হয়। নিহত মোর্শেদ ঘাটপাড়া এলাকার সৈয়দ আলমের ছেলে।

এঘটনায় নিহত মোর্শেদ কামালের মা মোস্তফা বেগম বাদী হয়ে কফিল উদ্দিনকে প্রধানসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বাংলাধারা/এফএস/এআই

আরও পড়ুন