বাংলাধারা ডেস্ক »
গীতিকার, গায়ক, কবি ও চিত্রশিল্পী কফিল আহমেদের জন্মদিন আজ। সমাজ-রাষ্ট্র, মানুষ, প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধ সংগঠকও তিনি। যা তার লেখালেখি-কণ্ঠে বারবার উঠে এসেছে।
জন্মদিনে বন্ধু-স্বজন ও অনুরাগীদের শুভেচ্ছা বাণীতে ছেয়ে গেছে কফিলের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট। তিনি নিজেও শেয়ার করেছেন ‘এইখানে এই পৃথিবীতে জন্মেছি যখন’ শিরোনামের কবিতা। যার শেষ কয়েকটি লাইন— ‘কেনো বলবো বাঁচার জন্য/ চলো আমরা তবে সবাই/ চলো আজ একসাথে মরে যাই।’
কফিল আহমেদের জন্ম ১৯৬২ সালের ১ সেপ্টেম্বর, কিশোরগঞ্জে। তিনি ১৯৮৭ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। বিসিএস দিয়ে ফরেন অ্যাফেয়ার্সে চাকরি পেলেও থিতু হন গানে।
কফিল স্ব-উদ্যোগে সংগীত শিখেন, সংগীতের তার পদচারণ ১৯৯০ দশকের শুরুর দিকে। ১৯৯০ সালে একটি সংগীত দলের সঙ্গে ‘হাজার বছরের বাংলা গান’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ওই অনুষ্ঠানে লালনগীতি ও চর্যাগীতির গান ব্যবহার করেন। পরে তারা একই ধাঁচের গান রচনা করতে থাকেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গণমানুষের সামনে এই সব গানের সরাসরি উপস্থাপনা করতে থাকেন।
তার গানের প্রেক্ষাপট বেশ বিচিত্র। চুনারুঘাটের চা শ্রমিক থেকে গার্মেন্টস শ্রমিক কিংবা সুন্দরবনের গাছ-লতা-পাতা, পাখি-প্রাণী এসেছে তার গানে। ২০০২ সালে কফিলের প্রথম গানের সংকলন প্রকাশিত হয়। সর্বপ্রাণ সাংস্কৃতিক শক্তি ও মনকহুয়ার গানে’র অন্যতম সংগঠক তিনি।
সংগীতের পাশাপাশি কফিল চিত্রাঙ্কনেও দক্ষ। জলরং ও আক্রিলিকে সাবলীল তিনি। তার চিত্রকর্ম ঠাঁই পেয়েছে ম্যাগাজিন ও বইয়ে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন কফিলের প্রথম কবিতার বই ‘জাংশন’ প্রকাশ হয়। অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘রোজ তাই কথা বলে আমার কবি’ ও ‘পাখির ডানায় দারুণ শক্তি গরুর চোখে মায়া’।
বাংলাধারা/এফএস/ইরা












