৩০ মার্চ ২০২৬

করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা, ৬ চিকিৎসক বরখাস্ত

বাংলাধারা ডেস্ক »  

দেশে করোনাভাইরাস চিকিৎসার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল। কিন্তু এই হাসপাতালেরই ছয় চিকিৎসক করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ফলে তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক আদেশে এই বরখাস্তের কথা জানানো হয়। এছাড়া কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামানও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরখাস্ত চিকিৎসকরা হলেন- ডা. হীরক চন্দ্র রায়, ডা. ফারহানা হাসানাত, ডা. শারমিন হোসেন, ডা. উর্মি পারভীন, ডা. কাওসার উল্লাহ, ডা. মুহাম্মদ ফজলুজ হক।

এর আগে ৯ এপ্রিল কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ সেহাব উদ্দীন ছয় চিকিৎসকের নামের তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠান। সেখানে বলা হয়, হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. হীরক চন্দ্র রায় ১৩ ফেব্রুয়ারি যোগদানের পর থেকে আর হাসপাতালে আসেননি। এছাড়া মেডিকেল অফিসার ফারহানা হাসানাত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে হাসপাতালে অনুপস্থিতি ছিলেন। পরে ইস্তাফা দিয়ে আবেদন পাঠান। জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) শারমিন হোসেন ও মুহাম্মদ ফজলুজ হক করোনা চিকিৎসা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। এছাড়া মেডিকেল অফিসার ডা. উর্মি পারভীন ৩০ এপ্রিল ও মেডিকেল অফিসার ডা. কাওসার উল্লাহ ২১ মার্চ থেকে হাসপাতালে আসেননি।

চিঠিতে আরও বলা হয়, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা হাসপাতালে শুরু হওয়ার পর থেকে নার্স, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মকর্তা/কর্মচারী অফিস করছেন না।

এদিকে হাসপাতালের চিকিৎসকেরা অবস্থান করছিলেন এমন একটি আবাসিক হোটেল থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে রাঁধুনিসহ অনেক স্টাফ পালিয়ে যান। ফলে, সেখানে অবস্থানরত অর্ধশতাধিক চিকিৎসক খাবারের কষ্টে পড়েন।

এর আগে হাসপাতালটিতে কর্মরত চিকিৎসক এবং সেবাকর্মীদের নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়ি না গিয়ে ভিন্ন একটি জায়গায় অবস্থানের ব্যবস্থা করে দেয় সরকার।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন