৩০ মার্চ ২০২৬

করোনা সন্দেহে হাসাপাতালে ভর্তি ঢাকায় ৬, সিলেটে ১

বাংলাধারা ডেস্ক »  

দেশে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা দাবি করছেন। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে ঢাকায় দু’টি হাসপাতালে ৬ জন আর সিলেটের একটি হাসপাতালে একজন ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৩ জন এবং বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এছাড়াও বুধবার রাতে সিলেটে করোনা আক্রান্ত সন্দেহে দুবাই ফেরত এক প্রবাসীকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর পরিচালক পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিনই রোগী ভর্তি হয়। নমুনা পরীক্ষার পর করোনা না পেলে তারা চলে যান।

আইইডিসিআর-এর পরিচালক বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের এখানে (আইইডিসিআর) করোনা ইস্যুতে নিজে থেকে এসে স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছেন ৪ জন। মঙ্গলবার আরও ৬ জনের নমুনা সংগ্রহসহ আমরা ১০২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে দেখেছি। এখনো আরও ৪ জন আমাদের পর্যবেক্ষণে আছেন। তবে এদের কারোও মধ্যেই করোনা সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া না গেলেও আমরা ঝুঁকিমুক্ত নই, বরংযাত্রী যাতায়াতের দিক থেকে এখন উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ।

ফ্লোরা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা সবসময় সতর্ক রয়েছি। দেশের বাইরে থেকে আসা সব নাগরিককে এয়ারপোর্ট ও বন্দরে স্ক্রিনিং করা হচ্ছে। কাউকে সন্দেহ হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সব কর্মী একই নির্দেশে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত ৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি। বিমান, নৌ ও স্থল বন্দর এবং একটি ট্রেনে মোট ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮২১ জনের স্ক্রিনিং করানো হয়েছে।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বে আক্রান্ত দেশগুলোতে এখন পর্যন্ত ৮৭ হাজার ১৩৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে নতুন রোগী আছেন ১ হাজার ৭৩৯ জন। এ রোগে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্টের বরাত দিয়ে ডা. ফ্লোরা বলেন, চীনে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭৯ হাজার ১৬৯ জন। চীনে ২ হাজার ৮৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে অন্যান্য দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ১১৬ জন।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন