দেশজুড়ে জ্বালানি সংকট চললেও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীকেন্দ্রিক চোরাই তেলের বাণিজ্য থেমে নেই। অভিযোগ উঠেছে, সংঘবদ্ধ একটি চক্র প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বাজারজাত করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশি-বিদেশি জাহাজ এবং বিভিন্ন ডিপো থেকে কৌশলে তেল সংগ্রহ করে চক্রটি। পরে তা নদীর বিভিন্ন ঘাটে খালাস করে কম দামে বাজারে সরবরাহ করা হয়। এতে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার লিটার তেল এভাবে হাতবদল হচ্ছে। চক্রের সদস্যরা প্রতি লিটার তেল তুলনামূলক কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছে। ফলে গড়ে উঠেছে লাভজনক অবৈধ নেটওয়ার্ক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী এই বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
জাহাজ থেকে চোরাই তেল কেনার পর তা কর্ণফুলী নদীর কমপক্ষে ১৫ পয়েন্টে খালাস হয়। বিশেষ করে সদরঘাট, ফিশারিঘাট ও আশপাশের এলাকাগুলো চোরাই তেল খালাসের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রামের সদরঘাট নৌ থানার ওসি মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আমার যোগদানের ৫-৬ মাসের মধ্যে তেল চোরচক্রের বিরুদ্ধে ২-৩টি মামলা হয়েছে। বিভিন্ন সময় চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানও পরিচালনা করা হয়।












