বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরের কাজির দেউড়ি এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ছয়জন ‘বহিরাগতকে’ গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।
ওই বহিরাগতরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে নগর এলাকায় এসে জড়ো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২০ জানুয়ারি রাতে হামলার ঘটনার সঙ্গে ‘জড়িত থাকার প্রমাণ’ পেয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
গ্রেফতার ছয়জন হলেন- চন্দনাইশ থানাধীন পূর্ব কেশুয়া এলাকার বদিউল আলমের ছেলে মো. আলমগীর হোসেন (৩৫), মহেশখালী থানাধীন সাইটপাড়া এলাকার রফিক আহমদের ছেলে মো. আজিজ (২৬), আনোয়ারা থানাধীন পূর্ব বড়ইয়া এলাকার এসএম বদরুদ্দোজার ছেলে এসএম তারেকুর রহমান রাকিব (২২), উখিয়া থানাধীন মরিচ্যা পাগলির বিল এলাকার সুলতান মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩৫), পটিয়া থানাধীন দক্ষিণ আশিয়া এলাকার মো. জিয়াউদ্দিন বাবলু (২৬) ও রাউজান থানাধীন গহিরা বদুরঘোনা এলাকার হাসানের ছেলে রাশেদুজ্জামান (৩৩)।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন বলেন, কাজির দেউড়ি এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৬ জন বহিরাগতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে নগর এলাকায় এসে জড়ো হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলাও রয়েছে।
এছাড়া এর আগে এ মামলায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার চারজন হলেন- কোতোয়ালী থানাধীন বদরপাতি খান বাড়ি এলাকার আবুল কালাম হানিফের ছেলে আলী হাসান রাজু (৪৫), একই এলাকার সেকান্দার মিয়ার ছেলে মো. মিন্টু প্রকাশ মিনু (৩৭), কলাবাগিচা শুটকিপট্টি এলাকার মো. ইসলামের ছেলে মো. নাছির (৪৫) ও পাথরঘাটা শেখ পাড়া এলাকার তোফায়েলের ছেলে কায়সার (৪০)।
আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এ নিয়ে মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। গ্রেফতার ১০ জন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কর্মী বলে জানা গেছে।
২০ জানুয়ারি রাতে কাজির দেউড়ি বিএনপির কার্যালয় নসিমন ভবনের সামনে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করে যাওয়ার পথে বিএনপি কর্মীরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ উঠে। এ সময় উভয়পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।
এ ঘটনায় ২১ জানুয়ারি বাদি হয়ে কোতোয়ালী থানায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মহানগর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মোশারাফুল হক চৌধুরী পাভেল। এছাড়া মামলায় আরও অজ্ঞাত ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।খবর: বাংলানিউজ
বাংলাধারা/এফএস/এআর






