২১ মার্চ ২০২৬

গুটিকয়েক খারাপ লোকের জন্য গোটা আওয়ামী লীগ বদনামের ভাগিদার হবে না: কাদের

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

গুটিকয়েক খারাপ লোকের জন্য গোটা আওয়ামী লীগ বদনামের ভাগিদার হবে না। যারা অন্তঃকলহ করবে, অপকর্ম করবে, দুর্নীতি করবে- তাদের এ দলে স্থান হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে নগরীর কে বি কনভেনশন সেন্টারে  প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীর উপলক্ষে আয়োজিত স্মরনসভায়  এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘ সারাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন হচ্ছে। ১০টা উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাবে যদি একটা খারাপ আচরণ হয়। আমরা পরিবর্তন চাই, কিন্তু সেই পরিবর্তন চাই না যে পরিবর্তন আওয়ামী লীগকে আদর্শের শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, “চট্টগ্রামে মাঝে মাঝে যখন অবাঞ্ছিত অপ্রীতিকর ঘটনা হয় তুচ্ছ কারণে তখন মনে বড় কষ্ট লাগে। বড় দুঃখ পাই। সামান্য কারণে একে অন্যের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। চট্টগ্রামে মাঝে মাঝে যখন দেখি আওয়ামী লীগই আওয়ামী লীগের শত্রু কষ্ট লাগে, দুঃখ পাই।

“এই চট্টগ্রামে মাঝে মাঝে যে কলহ দেখি এটাই চট্টগ্রামের বড় দুর্বলতা। নেত্রী শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে।”

তিনি বলেন, “যারা অন্তর্কলহ করবে, অপকর্ম করবে, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, ভূমি দখল, মাদক ব্যবসা করবে সেসব অপকর্মকারীদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই। গুটি কয়েক খারাপ লোকের জন্য গোটা আওয়ামী লীগ বদনামের ভাগিদার হবে না। গোটা আওয়ামী লীগের ভালো লোকদের ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “খারাপ আচরণ উন্নয়নকে ম্লান করে দিতে পারে। আমরা পরিবর্তন চাই শিকড়ের সাথে যুক্ত যে পরিবর্তন। সে পরিবর্তন চাই না যেটা আওয়ামী লীগের আদর্শের শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন।

“ট্র্যাডিশন চাই, সেটা হচ্ছে সিনিয়র ‍জুনিয়রকে স্নেহ করবে, জুনিয়র সিনিয়রকে সম্মান করবে। এখানে আমরা ডিজিটাল চাই না। আওয়ামী লীগে গণতন্ত্র অক্ষুন্ন রাখতে হবে, সেটাই ট্র্যাডিশন। মানুষের মাঝে থেকেই পরিবর্তনের ধারা এগিয়ে নিতে হবে।”

প্রয়াত নেতা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর স্মৃতিচারণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “শুধু ব্যবসা করলে তিনি দেশের এক নম্বর ধনী হতেন। কিন্তু রাজনীতিকে তিনি মানি মেকিং মেশিন করেননি। আজ অনেকে রাজনীতিকে কেনাবেচার পণ্য মনে করে।

“জনগণকে তিনি ভালোবাসতেন বলেই তার প্রতি জনগণের ভালোবাসা আজও দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। চট্টগ্রামের সমার্থক হয়ে গিয়েছিল দুই নাম- বাবু ভাই ও মহিউদ্দিন চৌধুরী।”

স্মরন সভায় বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ সালামসহ আওয়ামী লীগের নেতারা।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম


আরও পড়ুন