কক্সবাজার প্রতিনিধি »
চকরিয়ায় মারছা পরিবহনের যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো এক মোটরসাইকেল আরোহি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরের দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসরকের চকরিয়ার বরইতলী রাস্তার মাথা সংলগ্ন এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
এসময় আহত হয়েছেন অপর এক আরোহি। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ।
নিহত মো. তানভীরুল ইসলাম সায়মন (২০) চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ছড়ার পূর্বকূল এলাকার মো. তাজুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। সায়মন চট্টগ্রাম ওমরগণি এমইএস কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া গুরুতর আহত শহিদুল ইসলাম বাপ্পি (২০) একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বানিয়ারছড়া মাহামুদ নগর এলাকার মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরইতলী একতা বাজার (গরুর বাজার) থেকে মোটরসাইকেলে বন্ধু শহীদুল ইসলাম বাপ্পির সাথে মহাসড়ক দিয়ে চকরিয়া পৌর সদরে আসছিলেন সায়মন। তারা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বরইতলী রাস্তার মাথা পার হয়ে কিছুদুর যাওয়ার পরপরই কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখি মারছা পরিবহনের একটি বেপরোয়া গতির যাত্রীবাহি বাস ( চট্টমেট্রো-ব- ১১-১৩১৬) তাদেরকে মুখোমুখি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান সায়মন। আহত হয় মোটরসাইকেল চালক শহিদুল ইসলাম বাপ্পি।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক বাপ্পিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানায় বাপ্পির স্বজনরা।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে চিরিংগা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান বলেন, দূর্ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্র সায়মনের লাশ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে আনা হয়। পরে নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিকেল ৫টার দিকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুইটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনী প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাধারা/এফএস/এআর












