বাংলাধারা প্রতিবেদন »
করোনাভাইরাসের টিকার ৪ লাখ ৫৬ হাজার ডোজ চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে। ৭ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে টিকাদান শুরুর লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এসব ডোজ পাঠানো হচ্ছে।
রবিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ফ্রিজার ভ্যানে করে টিকাগুলো ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির ও সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি উপস্থিত ছিলেন।
৩৮ কার্টনে করে আনা ৪ লাখ ৫৬ হাজার ডোজ টিকাগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই (সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি) স্টোরে।
সিভিল সার্জন জানান, চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটিতে দুটি করে আইস লাইনড রিফ্রিজারেটর (আইএলআর) আছে, যেখানে ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা হবে। ভ্যাকসিনেটর ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার থেকে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ৭ ফেব্রুয়ারি টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করা হবে। একসঙ্গে টিকাদান শুরুর জন্য ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি টিকার বাক্স চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্ধারিত কেন্দ্র এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পাঠানো হবে।
চমেক হাসপাতালের পাশাপাশি নগরের চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, সিটি করপোরেশন জেনারেল হাসপাতাল, মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম সেনানিবাস হাসপাতাল, চট্টগ্রাম পুলিশ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনী হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিমান বাহিনী হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতাল, চসিক বন্দরটিলা হাসপাতাল, চসিক মোস্তফা হাকিম মাতৃসদন হাসপাতাল, চসিক ছাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতাল, ইউএসটিসি হাসপাতাল, সাউদার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং মেরিন সিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টিকা দেয়া হবে।
শুরুতে টিকা দেওয়া হবে স্বাস্থ্যকর্মীদের। তারপর সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং প্রাধিকারের তালিকা অনুযায়ী টিকাদান শুরু হবে।
সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানিয়েছেন, টিকার ব্যবস্থাপনার জন্য ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। টিকা নেয়ার পর জটিলতা সৃষ্টি হলে তা দেখার জন্য ১৪ সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে।
বাংলাধারা/এফএস/এইচএফ












