বাংলাধারা প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে বন্ধ রয়েছে কক্সবাজারের মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ। যার ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চট্টগ্রাম নগরবাসীকে। শুক্রবার রাত থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকলেও গ্যাস সংকট প্রকট আকার ধারণ করে আজ সকাল থেকে। গ্যাসের চুলা নির্ভর বাসা-বাড়ি ও দোকানের চুলোয় জ্বলেনি সকাল থেকে আগুন। অফিসগামীদের হয়নি সকালের নাস্তাও।










নগরীর ওয়াসা মোড়ের ফেনী হোটেলে দেখা যায় উল্টো চিত্র। দুপুরের খাবার খেতে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষরা। হোটেলের ভেতর নেই তিল ধরনের ঠাঁই। হোটেল বয়দেরও নেই দম ফেলার ফুসরত।








চট্টগ্রামে গ্যাস না থাকায় কেরোসিন ও ইনডাকশন কুকারের দোকানে ভিড় করছেন সাধারণ জনগণ। ভোক্তারা বলছেন, এসব পণ্যের দাম আগের তুলনায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে চাহিদা অনুযায়ী মালামাল না থাকায় দোকান থেকে হতাশা নিয়ে ফিরত যাচ্ছে বেশিরভাগ ভোক্তা। এদিকে কেরোসিনের দোকান গুলোতেও লক্ষ্য করা যায় উপচে পড়া ভিড়। কেরোসিনের জন্য লম্বা লাইনের পেছনে দাঁড়িয়ে থেকেও কিনতে পারছেন কেরোসিন। হুট করেই কেরোসিনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় হিমসিম খাচ্ছেন দোকানিরা।














