১৮ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে জোয়ারের পানিতে ডুবে গেছে সড়ক অলিগলি

বাংলাধারা প্রতিবেদন  »

ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ ও ‘পূর্ণিমা’র প্রভাবে কর্ণফুলী নদীতে বেড়ে যায় জোয়ারের পানি। এতে নগরীর নিম্নাঞ্চলে জোয়ারের পানি কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন খাল দিয়ে প্রবেশ করছে। রাজপথে, অলিগলিতে জমে আছে হাঁটুপানি। সেই পানি মাড়িয়ে ছুটছে বাস, ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশাসহ যানবাহন। শুক্রবার (২৮ মে) নগরের সিডিএ আবাসিক, শান্তিবাগ, জিইসি, দুই নম্বর গেটসহ নিম্নাঞ্চলে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

জানা গেছে, পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের পানিতে নগরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সিডিএ অ্যাভেনিউর কয়েকটি স্পট ছাড়াও নগরের আগ্রাবাদ, সিডিএ আবাসিক, শান্তিবাগ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, খাতুনগঞ্জসহ বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে জোয়ারের পানিতে।

হালিশহর আবাসিক এলাবার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান অনিক বাংলাধারাকে বলেন, পোর্ট কানেকটিং সড়কের কাজ কিছুটা হলেও এখনও অনেক জায়গায় গর্ত রয়ে গেছে। এছাড়াও রাস্তার একপাশ উঁচু করে দেওয়ায় অন্যপাশে পানি জমে যাচ্ছে। সাগড়ে পানির পরিমাণ বাড়লে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এই এলাকার বাসিন্দাদের।

শান্তিবাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা অঞ্জন দাশ বলেন, আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে মূল সড়কে জোয়ারের পানি দেখা যায় না। তবে অলিগলি আর বাসাবাড়িতে পানি উঠছে। বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার পানি উঠেছে। পানি উঠেছিল আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের নিচতলায়ও। জলাবদ্ধতার এ দুঃখ কবে ঘুচবে আমরা জানি না।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শেখ হারুনুর রশিদ জানান, শুক্রবার কর্ণফুলী নদীতে জোয়ার শুরু হয় সকাল ৯টা ৪৭ মিনিটে, ভাটা শুরু হয় ২টা ৪৭ মিনিটে। আবার রাত ৯টা ৪৭ মিনিটে জোয়ার আসবে। এদিকে জোয়ারের উচ্চতা ছিল ৪ দশমিক ৯৮ মিটার। যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি।

বাংলাধারা/এফএস/এআর

আরও পড়ুন