বাংলাধারা প্রতিবেদন »
করোনার গ্রাসে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে শতভাগ রফতানিমুখী অনেক কারখানার। ইপিজেড আইনে আছে আপদকালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারী বা কাঁচামাল সংকটে শ্রমিককে কাজ দিতে অক্ষম হলে ১০ দিন থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত এক নোটিশে লে অফ ঘোষণা করা যাবে। এরপর প্রয়োজনে আরও ১৫ দিন বাড়ানো যাবে। এ সময় নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিকরা চাকরি হারাবে না, নিয়ম অনুযায়ী বেতন ও সুযোগ সুবিধা পাবেন। কাজেই পরিস্থিতি বিবেচনা করে লে অফ ঘোষণা করছে চট্টগ্রামের দুই ইপিজেডের অর্ধশতাধিক কারখানা।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের দুই ইপিজেডে লে অফ চাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে তৈরি পোশাক, জুতা, তাঁবু, ফেব্রিক্স, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী তৈরির প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
জানা যায়, নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সংকট তুলে ধরে বেপজার কাছে সিইপিজেডের ৪৬টি এবং কর্ণফুলী ইপিজেডের ২৩টি কারখানা বিভিন্ন মেয়াদে আবেদন করেছে। বেশ কিছু কারখানা প্রাথমিক অনুমোদনও পেয়েছে।
এদিকে ইপিজেডের অনেক কারখানা লে অফের ঘোষণায় উদ্বেগ জানিয়েছেন শ্রমিকনেতারা। তারা আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের বেতন ও সুযোগ সুবিধা আদায়ে বেপজা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।
সিইপিজেডের দায়িত্বে থাকা বেপজার মহাব্যবস্থাপক খুরশীদ আলম বলেন, সিইপিজেডের বেশ কিছু কারখানা কর্তৃপক্ষ নানা সংকট দেখিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে লে অফ ঘোষণার আবেদন জানিয়েছে। ১৫, ২০, ৩০, ৪৫ দিনের আবেদন করেছে। একেক কারখানার একেক সমস্যা। দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সিইপিজেডে ১৫৮টি দেশি-বিদেশি কারখানায় দুই লক্ষাধিক এবং কর্ণফু্লী ইপিজেডে ৪১টি কারখানায় ৭৫ হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করে।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












