বাংলাধারা প্রতিবেদন »
চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার জানালীহাট থেকে চুয়েট হয়ে কাপ্তাই পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণকাজ শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
চান্দগাঁওয়ের জানালীহাট থেকে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া হয়ে রেলপথ যাবে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে। এছাড়াও চুয়েট শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মাণ করা হবে স্টেশন, যেখানে থামবে ট্রেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ১৯৮০ সালে চালু হয় শাটল ট্রেন। দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় এটি, যেখানে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে যাতায়াত করেন ট্রেনযোগে।
এবার সেই সুযোগ তৈরি হচ্ছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ‘৪২ কিলোমিটারের ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা। প্রতি কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হবে ১০৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৭১৪১ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ সংগ্রহের প্রস্তাব করেছে রেলওয়ে।’
রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহাপরিকল্পনায় (২০১৬-২০৪৫) কাপ্তাই পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। তবে ২০২২ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার কথা থাকলেও প্রকল্পের সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে ২০১৯ সালে। ডুয়েলগেজ রেললাইনের একটি নকশাও প্রণয়ন করা হয়েছে।
আরও জানা যায়, অর্থায়ন জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনে দুটি পর্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ভাবা হচ্ছে। প্রথমটি চট্টগ্রামের জালানীহাট থেকে চুয়েট এবং পরবর্তীতে চুয়েট থেকে কাপ্তাই পর্যন্ত। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করতে ব্যয় হবে ৪ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা।
প্রথম পর্যায়ে জানালীহাট থেকে চুয়েট পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের ৫৫ শতাংশ ব্যয় হবে ভূমি অধিগ্রহণে। আর দ্বিতীয় পর্যায়ে চুয়েট থেকে কাপ্তাই পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. সবুক্তগীন সাংবাদিকদের বলেন, এ প্রকল্পটি এখনও প্রক্রিয়াধীন। এটি বাস্তবায়ন হলে নগরের চন্দগাঁওয় জানালীহাট থেকে চুয়েট হয়ে কাপ্তাই পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণকাজ শুরু হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এআই












