২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের সীমাবদ্ধতা কমাবে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল

শাহ আব্দুল্লাহ আল রাহাত »

চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনাল চালু হলে বাড়বে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং। এই টার্মিনাল চালু হওয়ার ফলে কমে আসবে চট্টগ্রাম বন্দরের নানাবিধ সীমাবদ্ধতা।

২০২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার টার্মিনালের কাজ শেষ হবে বলে জানায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। নিমার্ণ কাজ শেষ হলে চট্টগ্রাম বন্দরে হওয়া জাহাজ জট অনেকটা কমে আসবে। কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং এ সময় লাগবে অনেক, দ্রুততম হবে কার্যক্রম।

পতেঙ্গা টার্মিনালে ২২০ মিটার ডলফিন জেটিতে বড় তেলবাহী জাহাজ ভিড়ানো যাবে। চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো এখানে অবস্থিত ১৯টি জেটিতে একসঙ্গে জাহাজ ভিড়ানো সম্ভব হয় না। পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল চালু হলে কমে আসবে এসব সীমাবদ্ধতা। এটি চালু হলে তিন টার্মিনালে ভিড়তে পারবে আরো ৪টি জাহাজ। ১৯০ মিটার দৈর্ঘ্যর এবং ১০ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের কন্টেইনারবাহী জাহাজ এই টার্মিনালের জেটিতে ভিড়ানো যাবে।

চট্টগ্রাম বন্দরে গত অর্থ বছরে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং বেড়েছে প্রায় ৯৩ হাজার টিইইউএস। এছাড়া ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে হ্যান্ডেলিং হয়েছে ৩০ লাখের বেশী টিইইউএস কন্টেইনার। কিন্তু পতেঙ্গা টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দর বছরে আরো ৪ লাখ ৫০ হাজার টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করতে পারবে। এই টার্মিনালে ৪ হাজার ৫০০ কন্টেইনারের ধারণক্ষমতা থাকবে।
ফলে যেমন বন্দরের সীমাবদ্ধতা হ্রাস পাবে ঠিক তেমনি বাড়বে সক্ষমতা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক বাংলাধারাকে জানান, ‘পতেঙ্গা টার্মিনাল বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এই টার্মিনাল চালু হওয়ার মাধ্যমে বছরে ৪ লাখ থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার পযর্ন্ত কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করা যাবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই টার্মিনাল চালু হওয়ার মাধ্যমে সর্বোপরি বন্দরের যেসব সীমাবদ্ধতা আছে সেগুলো অনেকটা কমে আসবে।’

বাংলাধারা/এফএস/এআই

আরও পড়ুন