সৈকত জোহা »
আগামী ১৯ জুন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘ ২০ বছর পর স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সবার মাঝেই উৎসবের আমেজ। সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক কে হবেন আর কারাই বা জায়গা পাচ্ছেন নতুন কমিটিতে, এই নিয়ে সরগরম চট্টগ্রাম।
সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক পদে অনেকের নাম বেশ জোরালো ভাবে শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত কারা হাল স্বেচ্ছাসেবক লীগের হাল ধরবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে সম্মেলনের দিন পর্যন্ত।
নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার কমিটিতে স্থান পাওয়ার জন্য প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী তথা তার বড় ছেলে নওফেল এবং সাবেক মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী কমপক্ষে ১০ জন আলোচনায় রয়েছেন।
আলোচনায় থাকা নেতারা হলেন- নওফেল অনুসারী কাউন্সিলর আবুল হাসনাত বেলাল, আজিজুর রহমান আজিজ, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল কবির, দেবাশীষ নাথ দেবু, মো. জসিম উদ্দিন, মনোয়ার জাহান মনি।
আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হেলাল উদ্দিন, সুজিত দাশ এবং আব্দুর রশিদ লোকমান। এর মধ্যে হেলাল উদ্দিন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চুর ছোট ভাই।
এর বাইরে আলোচনায় রয়েছেন নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জিয়া উদ্দিনের অনুজ অ্যাডভোকেট তসলিম উদ্দিন, আজাদ খান অভি ও শাহেদ আলী রানা।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ও ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল হাসনাত বেলাল বাংলাধারাকে জানান, আমি সভাপতি পদে আগ্রহী। কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যদি যোগ্য সিনিয়র কাউকে সভাপতি আর আমাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেয় তাহলেও আমার কোন আপত্তি নেই।
তিনি আরও বলেন, যারা পুরনো ও ত্যাগী আর দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করছে তাদেরকে মূল্যায়ন করবো। পাশাপাশি মেধাবী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের এই সংগঠনের সাথে যুক্ত করবো।
আজিজুর রহমান আজিজ বাংলাধারাকে বলেন, আমি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী। আমি একজন সাবেক ছাত্রনেতা। কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের করোনাকালীন মানবিক কর্মসূচির সময় আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে ছিলাম।
তিনি আরও বলেন, সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে আমি দীর্ঘদিন পদবিহীন অবস্থায় থাকলেও একদিনের জন্যও রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হইনি। কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মসূচি পালন করেছি। আমি স্বেচ্ছাসেবক লীগের দায়িত্ব পেলে সংগঠনকে আরও গতিশীল করব। যেসব সাবেক ছাত্রনেতা পদবিহীন আছে তাদের সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করবো ।
নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল কবির বাংলাধারাকে জানান, আমি সভাপতি হতে আগ্রহী। সভাপতির দায়িত্ব পেলে আমি কমিটির সবাইকে নিয়ে একসাথে বসে ৬ মাসের মধ্যে ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করে সংগঠনকে গতিশীল করবো।
বাংলাধারা/এফএস/এআই












