চবি প্রতিনিধি »
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা অবরোধ আগামী রবিবার পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে। পাঁচ দফা দাবিতে এ অবরোধ শিথিল করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিজয়ের কর্মীরা এসব কথা জানান।
দাবিগুলো হলো, ১. গতকাল বিকেলে সোহরাওয়ার্দী হলে তিন কর্মীর উপর শিবির স্টাইলে হামলা ও পূর্বের সকল ঘটনার নির্দেশদাতা চবি ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও এর সাথে জড়িতদের গ্রেফতার। ২. ছাত্রত্বহীন ও বয়স উত্তীর্ণ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি রেজাউল হক রুবেলকে বহিস্কার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে অবগত করা। ৩. গতকাল ও পূর্বে বিজয়ের ওপর সকল হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার। ৪. গতকাল মধ্যরাতে সোহরাওয়ার্দী হল থেকে আটককৃত ৮ কর্মীকে নিঃশর্তে মুক্তি এবং ৫. বিজয়ের আহত কর্মীদের সুচিকিৎসা ও সার্বিক সহায়তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এস এম মনিরুল হাসান বলেন, তাদের দাবিগুলো আমরা বিচার বিবেচনা করে দেখবো। যদি তাদের দাবি যৌক্তিক হয় তাহলে আমরা সেই দাবিকে সমর্থন করি এবং সেই অনুযায়ী কাজ করা হবে।
ট্রেন চলাচল ও আটককৃতদের ব্যাপারে প্রক্টর বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সক্ষম হলে আজ রাত থেকে ট্রেন চলাচল সচল হবে অন্যথায় আগামীকাল থেকে ট্রেন চলবে। আর যাদের আটক করা হয়েছে তাদের ব্যাপারে আরও যাচাই-বাছাই করা হবে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সিএফসি গ্রুপের একজনকে মারধরের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী হলে বিজয় গ্রুপের তিনজনকে কুপিয়ে জখম করে সিএফসির কর্মীরা। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনজনকে আহতের প্রতিবাদ ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলকে এ ঘটনার দায়ী করে তার বহিষ্কারের দাবিতে লাগাতার অবরোধের ডাক দেয় বিজয় পক্ষ।
রাতে নিরাপত্তার জন্য সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত হলে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় গভীর রাতে সিএফসি গ্রুপের ১২জন ও বিজয় গ্রুপের ৮জনকে আটক করে পুলিশ।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












