২১ অক্টোবর ২০২৬

চসিক নির্বাচনে ভোটের হার বাড়াতে প্রচারণায় নামবে ইসি

বাংলাধারা প্রতিবেদন »  

ঢাকার দুই সিটি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটের হার ৩০ শতাংশের নিচে নেমে আসার পর ভোটারদের ভোটবিমুখ হওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারাও বিষয়টি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য অশনিসংকেত বলে মন্তব্য করেছেন। এই অবস্থায় নির্বাচন কমিশন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ভোটের হার বাড়াতে মরিয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত শুক্রবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলামের মতবিনিময় সভায় বিষয়টি উঠে আসে। পরদিন আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায়ও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে ভোটার আনার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে তিনদিন সরকারি ছুটি থাকবে। ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবস, ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক সরকারি বন্ধ থাকবে। তিনদিনের বন্ধে ভোটাররা চট্টগ্রাম নগরী ছেড়ে যাবেন, এমন আশঙ্কায় ভোটার কম হওয়ার আশঙ্কা আছে নির্বাচন কর্মকর্তাদের মধ্যে।

চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, ‘লাগাতার ছুটির কারণে ভোটার কম হতে পারে, এমন আশঙ্কা তো আছে। অন্তত ৫০ শতাংশ ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্রে আসেন, সেজন্য আমরা কিছু পরিকল্পনা করেছি। ভোটের দিন স্কুল-কলেজ বাদে সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, শিল্পকারখানা আমরা আধাবেলা অর্থাৎ দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়ার চিন্তা করছি। সীমিত আকারে যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনাও আছে। আলোচনা চলছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।’

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে ৯ মার্চ থেকে। সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুনীর হোসাইন খান জানিয়েছেন, ‘প্রার্থীদের প্রচারণা শুরুর পর তারাও প্রচারণায় নামবেন। রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড এবং বিএনসিসি’র সদস্যদের প্রচারণায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। লিফলেট বিলি করা হবে সাধারণ মানুষের মাঝে। এছাড়া জনবহুল স্থানে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে যাওয়া হবে প্রদর্শনের জন্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভোটারদের আকৃষ্ট করতে যা যা করা দরকার এবার আমরা সব করার চেষ্টা করব। শোভাযাত্রাটা একটু কালারফুল করা, বাদ্যবাজনা থাকবে, পারলে ঘোড়ার গাড়িও একটা দিলাম সামনে। লিফলেট বিলি করব। কেউ যদি সরাসরি কোনো প্রশ্ন করে সেটার জবাবও আমরা দেব। প্রতিটি থানায় দুইটা করে স্পট আমরা নির্ধারণ করছি। প্রতিদিন একটি বা দুটি স্পটে অনুষ্ঠান হবে। এভাবে ধারাবাহিক ভোটগ্রহণের আগ পর্যন্ত প্রচারণা চলবে।’

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ