বাংলাধারা প্রতিবেদন »
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এখনো মেয়র পদে আনুষ্ঠানিকভাবে কারও নাম ঘোষণা করেনি বিএনপি। ২৪ ফেব্রুয়ারি মেয়র প্রার্থীর নাম চুড়ান্ত করা হবে। তবে প্রার্থীর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন লন্ডনে অবস্থানরত দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এদিকে, নির্বাচনকে ঘিরে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা। মহানগর সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনকে ঘিরেই দলের ভেতরে-বাইরে আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন তিনি। বিএনপির হাইকমান্ড থেকে তাকে ইতিমধ্যেই ‘সবুজ সংকেত’ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীর তালিকা একেবারে ছোট। ডা. শাহাদাত হোসেন ছাড়াও দলের মহানগরের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করও মনোনয়ন চেয়েছেন। নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ানের নাম আলোচনায় থাকলেও নির্বাচনে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না তিনি।
চট্টগ্রাম-৮ আসনের নির্বাচন ও পরবর্তী অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে ‘বাজেভাবে’ হেরে যাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন আবু সুফিয়ান। এর বাইরে মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদউল্লাহ ও সহসভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খানও আলোচনায় রয়েছেন। অবশ্য বড় কোনো ‘অঘটন’ না ঘটলে ডা. শাহাদাতের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। নেতাকর্মীদের মধ্যে তার নামই জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।
গত ৩০ ডিসেম্বরের সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেন ডা. শাহাদাত। কারাগারে থেকেই নির্বাচন করেন তিনি। সেই নির্বাচনে বর্তমান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের কাছে বিপুল ভোটে হেরে যান । এর পর থেকে অবশ্য সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ শুরু করেন তিনি।
চট্টগ্রাম বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডা. শাহাদাত হোসেনেই যোগ্য। তার ক্লিন ইমেজ ও সততা রয়েছে। তাই ডা. শাহাদাতই প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সিটি মেয়র পদে ধানের শীষের প্রতীক পাবেন বলে মনে করছেন তারা।
তবে চসিক নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে অনীহা রয়েছে।সম্প্রতি ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতা তাদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা কাজ করছে।নেতাকর্মীদের এমন দোটানার মধ্যেই চট্টগ্রাম সফর করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে।
এরপর চসিক নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।দল থেকে যাকেই মনোনয়ন দেয়া হোক, তার জন্য কাজ করার কথা জানান তারা। তবে তাদের মূল ভাবনা হচ্ছে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












