চলছে কালবৈশাখীর মৌসুম। তাই যেকোনো সময় হানা দিতে পারে প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে চলমান বৃষ্টি আগামী রবিবার, ২২ মার্চ পর্যন্ত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আগামী শনিবার, ২১ মার্চ সারা দেশে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। ওই দিনও ঢাকা বিভাগসহ দেশের পাঁচ বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মার্চ ও এপ্রিল মাস কালবৈশাখীর সময়। এ সময়ে বৃষ্টি ও ঝড়ে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। শনিবার ঈদের দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। তবে কোথাও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা নেই। একেক সময় একেক জায়গায় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের আগের রাতে অর্থাৎ শুক্রবার দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে একটি শক্তিশালী কালবৈশাখী প্রবেশ করতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, সিলেট, ময়মনসিংহ খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় ঈদের জামাতের সময় ঝড়-বৃষ্টির উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ঝড় রংপুর ও রাজশাহী হয়ে সকালের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ছড়িয়ে পড়তে পারে। দুপুরের মধ্যে এটি চট্টগ্রাম বিভাগেও পৌঁছাতে পারে।
এছাড়া ঈদের দিন বিকেলেও সারা দেশে দ্বিতীয় দফা আরেক দফা ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। ফলে এদিন দেশের আবহাওয়া দীর্ঘ সময় বৈরী থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে আজ, শুক্রবার সকাল ১০টায় রাজধানী ঢাকার আকাশ ঘন কালো মেঘে হঠাৎ ঢেকে যায় এবং শুরু হয় ধূলিঝড়। পরে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো বৃষ্টি শুরু হয়ে সময়ের সঙ্গে তীব্র আকার ধারণ করে। এসময় বিপাকে পড়েন বাইরে বের হওয়া মানুষ।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।












