বাংলাধারা ডেস্ক »
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় বর-কনেসহ মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া ওই ঘটনায় আহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নোটিশে বলা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুলাই) মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।
রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (এলজিআরডি) সচিব এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীকে এ নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশে গত ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চাওয়াসহ নতুন করে রেলের লেভেল ক্রসিং নির্মাণ, অবৈধ লেভেল ক্রসিং বন্ধ, রেলের গেটম্যানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ট্রেনের ছাদে যাত্রী তোলা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া না হলে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১৫ জুলাই সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে রাজন হোসেন উল্লাপাড়ার চর ঘাটিনা গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর শেখের মেয়ে সুমাইয়া খাতুনকে বিয়ে করে মাইক্রোবাসে বাড়িতে ফিরছিলেন। সুমাইয়ার বাড়িতে তখনও চলছিল বিয়ের আমেজ।
বিয়েতে আসা অতিথিরা আনন্দ করছিলেন। মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে রেল ক্রসিংয়ে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস মাইক্রোটিকে ধাক্কা দিয়ে প্রায় ২০০ মিটার টেনে নিয়ে যায়। এসময় সুমাইয়ার সঙ্গে যাওয়া ভাবি মমতা খাতুন, ভগ্নিপতি শরিফুল ইসলাম ও কনের ছোট বোন বুলবুলি সহ উভয় পক্ষের ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেবার পর মারা যান আরো ২ জন।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/এসবি












