৩০ নভেম্বর ২০২৫

‎ট্রেনের সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কা: আনোয়ারার জফির উদ্দীনের মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় নিজ কর্মস্থল থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বাসায় ফেরার পথে অক্সিজেন রৌফাবাদ কেডিএসের সামনে রেলক্রসিংয়ে রেলের সাথে ধাক্কা খেয়ে মোটরসাইকেলসহ ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন জফির। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন রেলগেটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জফির উদ্দীন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকার মোহাম্মদ আবদুল হক সওদাগরের পুত্র।

তিনি বায়েজিদ বোস্তামী রোড এলাকার ন্যাশনাল অ্যাক্সেসরিজ লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ডাইং সেকশনের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবারে তার দুই মেয়ে ও এক পুত্র সন্তান আছে বলে জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গেটম্যান প্রতিবন্ধক ফেলে দেন ক্রসিংয়ে। এর আগে তিনি প্রতিবন্ধকের ভেতরে ঢুকে যান। ওই কারণে তাড়াহুড়ো করে রেললাইন পার হতে যান জফির। কিন্তু লাইনে ওঠার পর বন্ধ হয়ে যায় মোটরসাইকেল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই রেল এসে গেলে মোটরসাইকেলসহ ছিটকে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, জফির উদ্দীনের বাসা থেকে কাছেই ছিল তার কর্মস্থল। তাই তিনি বাসা থেকে নিজস্ব মোটরসাইকেলে আসা–যাওয়া করতেন। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তিনি নতুন মোটরসাইকেল কেনেন এবং সেটি দিয়ে কর্মস্থলে যান। কিন্তু শনিবার রাতে তিনি দুর্ঘটনায় মারা যান। রোববার জোহরের নামাজের পর উত্তর বরুমচড়া নুরানি জামে মসজিদ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

নিহতের বড় ভাই ও ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন আমজাদী বলেন, “কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আমার ছোট ভাই মারা গেল। বাসা ও কর্মস্থলের একেবারে কাছেই এমন দুর্ঘটনার শিকার হলো সে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা হতবিহ্বল হয়ে গেলাম।”

নিহত জফির উদ্দীন আনোয়ারা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সাজ্জাদের মায়ের আপন ভাই। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন আনোয়ারা প্রেসক্লাব এবং আনোয়ারা রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন