৩১ মার্চ ২০২৬

তিন‘শ ছোঁয়া লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

টস জিতে ব্যাট করা শ্রীলংকাকে তিন‘শ রানের আগে আটকাতে পারা স্বস্তির মনে হতে পারে। কিন্তু কলম্বোর প্রেমাদাসার উইকেট শুরুর মতো নেই। উইকেট স্লো হয়েছে। এখানে ২৭০ রানই জয় পাওয়ার মতো। শ্রীলংকাও সেই লক্ষ্য ধরেই শুরু করে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দুটি ব্রেক থ্রু দিয়েও লংকানদের রান চাকা থামাতে পারেনি বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা ৮ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২৯৪ রান। এখন তামিম-সৌম্যরা পাল্টা দিতে পারেন কি-না সেটাই দেখার পালা।

সিরিজের শুরুর দুই ম্যাচে প্রথমে উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। প্রথম এবং শেষ ম্যাচে শুরুতে আভিস্কাকে ফেরান তিন বছর পরে দলে ফেরা শফিউল। দ্বিতীয় ম্যাচে করুনারত্নে ফিরে যান শুরুতে। কিন্তু টাইগার বোলাররা চেপে ধরতে পারেনি লংকানদের।

সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলংকা। আভিস্কা ফার্নান্দো ফিরে যান ৬ রান করে। সেখান থেকে অধিনায়ক করুনারত্নে এবং তিনে নামা কুশল পেরেরা ৮৩ রানের জুটি গড়েন। এরপর তাইজুল ইসলাম এবং রুবেল হোসেন পরপর দু’জনকে তুলে নেন। দলের ৯৬ রানে করুনারত্নে ৪৬ রান করে এবং দুই রানে বাদে পেরেরা ৪২ করে আউট হন।

লংকানদের চেপে ধরার দারুণ সুযোগটা নিতে পারেননি বোলাররা। কুশল মেন্ডিস এবং অ্যঞ্জেলো ম্যাথুস গড়েন ১০১ রানের জুটি। মেন্ডিস ফিরে যান ৫৪ রান করে। শ্রীলংকার রান তখন ১৯৯। তবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ম্যাথুস খেলেন ৮৭ রানের বড় ইনিংস। তার সঙ্গে দাশুন সানাকা ঝড় তুলে ১৪ বলে ৩০ রান যোগ করেন। সেহান জয়সুরিয়া করেন ৭ বলে ১৩ রান। শেষ দিকে ম্যাথুসের সঙ্গে তাদের ছোট ছোট ঝড়ে বড় সংগ্রহ পায় বিশ্বকাপে পয়েন্ট টেবিলে ছয়ে থেকে শেষ করা শ্রীলংকা।

বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ এ ম্যাচেও গোছালো ছিল না। শুরুর ২০ ওভারেই ছয় বোলারকে আক্রমণে আনেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সৌম্য-মাহমুদুল্লাহকেও এই সময়ে আক্রমণে আনে বাংলাদেশ। মিরাজকে আবার শেষ দিকে বল করতে হয়েছে। শেষটা টানতে হয়েছে সৌম্যর। দলের হয়ে শফিউল ইসলাম শুরুতে ভালো বোলিং করেন। শেষটা তিনি খরুচে। শ্রীলংকার ৮ উইকেটের তিনটি নিয়েছেন এই পেসার। ১০ ওভারে রান দিয়েছেন ৬৮।

তিন উইকেট নিয়েছেন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ থেকে বোলিংয়ে ‘গোল্ডেন হ্যান্ড’ হয়ে যাওয়া সৌম্য সরকার। এছাড়া রুবেল হোসেন এবং তাইজুল ইসলাম একটি করে উইকেট নেন। বাংলাদেশ এ ম্যাচে এক বোলার কম নিয়ে মাঠে নামে। সৌম্য-মাহমুদুল্লাহদের ওপর ১০ ওভার বোলিং করার ভার পড়ে। এর মধ্যে সৌম্য একাই ৯ ওভার বল করেছেন। দিয়েছেন ৫৬ রান। এছাড়া মাহমুদুল্লাহ তিন ওভার হাত ঘুরিয়েছেন। মোসাদ্দেকের বদলে বাংলাদেশ এ ম্যাচে ব্যাটসম্যান আনামুল হককে নিয়ে খেলছে।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম

আরও পড়ুন