বাংলাধারা ডেস্ক »
উত্তরের শষ্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত দিনাজপুরে ফুল চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে। ফুল চাষ করে এ জেলার অসংখ্য কৃষকের ভাগ্য খুলে গেছে। অসংখ্য কৃষক এখন বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষে ঝুকে পড়েছেন। ফুল আবাদ করে অধিক লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা। ইতোমধ্যে কয়েকটি গ্রাম এখন ফুলের গ্রাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
গাঁদা,গাজরা,গোলাপ,রজনী গন্ধা,বেলীসহ বিভিন্ন প্রকার ফুল আবাদ হচ্ছে এ জেলায়। প্রতিদিন ফুল কেনার জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে নগদ টাকায় জমি থেকে ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

ফুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবং লাভজনক হওয়ায় অনেক শিক্ষিত বেকার যুবকও ফুল চাষের দিকে ঝুকে পড়েছেন। জমি ফেলে না রেখে ফুল চাষ করছেন তারা।পাশাপাশি ফুল তোলা আর মালা গাথার কাজেও জড়িয়ে পড়েছেন অনেকে। বিশেষ করে সংসারের কাজ ও পড়া-লেখার অবসরে ফুলের মালা তৈরী’র কাজ করে বাড়তি আয় করছেন নারীরা।
জেলা সদর, বিরল, কাহারোল, বীরগঞ্জ, চিরিরবন্দর ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৫০ একর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ হচ্ছে। এসব ফুল এ অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হচ্ছে।

বিরলের রবিপুর এলাকার ফুলচাষী শমশের জানান, তিনি ৮ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলক ফুলচাষ করেছেন। ফুলের ভালো ফলন হওয়ায় তাতে বেশ লাভবান হয়েছেন তিনি। আগামীতে এক বিঘা জমিতে ফুলচাষের প্রস্তুস্তি নিচ্ছেন বলে জানান এই কৃষক।
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইকবাল জানান, এ অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া ফুল চাষের জন্য দারুন উপযোগী। তাই ফুল চাষ সম্প্রসারণে কৃষকদের সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে আসছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।
ধানের জেলা দিনাজপুরে বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ হচ্ছে। এ ফুল চাষ করে ঘুরছে অনেক কৃষকের ভাগ্যের চাকা। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এবং এ ফুলের ভালো দাম পেলে এ অঞ্চলে ফুল চাষের পরিধি আরও বেড়ে যাবে এমনটাই মন্তব্য করেছেন কৃষিবিদরা।
সূত্র: বিএনএ
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












