১৩ মার্চ ২০২৬

দেশের শৃঙ্খলার খাতিরে আমরা জাতিকে নেতৃত্ব দিচ্ছি : কৃষিমন্ত্রী

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

দেশের শৃঙ্খলার খাতিরে আমরা জাতিকে নেতৃত্ব দিচ্ছি। তবে জনগণ যদি আমাদের না চায়, তাহলে আমরা চলে যাব। কিন্তু উচ্ছৃঙ্খলদের হাতে ছেড়ে দিতে পারি না। 

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের বাবা ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুচ্ছফা তালুকদারের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। সেদিন আমরা রূপকল্প ২০২১ জনগণের সামনে নিয়ে এসেছিলাম। জনগণ আমাদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করে। এর ধারাবাহিকতায় পরপর দুই মেয়াদ আর এবারের দুই বছরে দেশ ভালো আছে কি না? এগিয়ে যাচ্ছে কি না? সে কথা আপনারা বলবেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তখন অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল। বিশ্বব্যাংক প্রধান বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে দুর্নীতি আর দারিদ্র্যের মডেল রাষ্ট্র। এটি স্বাধীনভাবে টিকে থাকতে পারবে না। অথচ আজ সেই বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশ ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির দেশগুলোর একটি। স্টার্ন নিকোলাস বলেছেন, আমি বাংলাদেশে এসেছি উন্নয়ন দেখতে। যে দি ইকোনমিস্ট সবসময় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে, তারাই বাংলাদেশের বন্দনা করে আর্টিকেল প্রকাশ করছে।

আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আইন সম্মানজনক পেশা। প্রতিথযশা আইনজীবীদের অনেকেই রাজনীতিকে ভালো করেছেন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রথমে ইনকামট্যাক্সে চাকরি পেয়েও তা ছেড়ে দেন। তথ্যমন্ত্রীর বাবার মতোই কলেজে মাস্টারি শুরু করেন। পরে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। মহাত্মা গান্ধী, কায়েদে আজম, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ- তারা সবাই আইনজীবী ছিলেন। একসময় আইন পেশা থেকেই রাজনীবিদ বেশি বেরিয়ে আসতো।

স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সৈয়দ মোক্তার আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মো. জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুজিবুল হক, আ ক ম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ, আয়ুব খান, অশোক কুমার দাশ, মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী, জেলা পিপি নাজমুল আহসান খান। এতে পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন মরহুমের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট কামরুননাহার বেগম প্রমুখ।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ