বাংলাধারা প্রতিবেদন »
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নগরীর প্রত্যেকটি পশুর হাট ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান। সেই সাথে নগরীতে ৫ হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার মাহাবুবুর রহমান।
শনিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের সম্মেলন কক্ষে কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কমিশনার বলেন, গরুবাহী গাড়ীর কাগজপত্র চেক করা থেকে বিরত রাখতে ট্রাফিক বিভাগকে নির্দেশ দেন। পুলিশও যাতে চাঁদাবাজি করার সুযোগ না পায় তাই এই স্বিদ্ধান্ত৷ ঈদ উপলক্ষে নগরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।
প্রত্যেকটি হাটে থাকবে পুলিশের কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার। জাল নোট শনাক্তকরণের মেশিন বসানোর পাশাপাশি মানি এস্কর্ট সুবিধাও থাকবে। বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলস্টেশন কেন্দ্রীক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
ঈদ উপলক্ষে ছিনতাইকারী ও মলমপার্টির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ছিনতাইকারী ও মলমপার্টির দিকে বিশেষ নজর থাকছে এবার। যারা জামিনে মুক্ত হয়েছে তাদেরকেও নজরে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিবার কোরবানির পশুবাহী ট্রাক থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ আসে। এ জন্য এবার কোনো পশুবাহী ট্রাক পুলিশ চেকিং করবে না। পশুবাহী ট্রাক যেখানে যেতে চায়, তাকে সেখানে যেতে দেওয়া হবে। কোনো অবস্থায় বাধা দেওয়া যাবে না। যে কোনো সংস্থার চাঁদাবাজি থেকে পশুবাহী ট্রাককে রক্ষা করা হবে।
পশুর হাটে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে পুরো হাট নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কয়েকটি জায়গায় সড়কের পাশে সিটি করপোরেশন পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়াকে দুঃখজনক মন্তব্য করে মো. মাহবুবর রহমান বলেন, আমাদের প্রস্তাব ছিলো যানজট রোধে কোনো অবস্থায় সড়কের পাশে পশুর হাট যেন না থাকে।
কিন্তু কয়েক জায়গায় সিটি করপোরেশন সড়কের পাশে হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে। এটি দুঃখজনক। এর আগে সিএমপি কমিশনার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, চট্টগ্রাম চেম্বার, বিজিএমইএ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক ও হাটের ইজারাদারদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন৷ প্রেস ব্রিফিং এ সিএমপি’র বিভিন্ন জোনের ডিসি সহ উর্ধতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন৷
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/এসবি/আরইউ












